1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

গল্পঃ অভিনয়। ২য় পর্ব। মোঃআফজালুর রহমান।বাংলার কথা অনলাইন।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

গল্পঃ অভিনয়।
২য় পর্ব।
মোঃআফজালুর রহমান।

খুব খেয়াল রাখতেন তিনি আমার।যদিও কখনই উনাকে আমি দেখিনি তবে আদর পেয়েছি অনেক।তিনি আমাকে আদর করে তুমি ডাকতেন কয়েকদিন পড়াতে না গেলে ফোণ দিয়ে জিজ্ঞেস করতেন আমি কেমন আছি।তারিনের ছোট বোন পড়তো ওর সাথে। যার সুবাদে তারিনের মায়ের জানা আমি পড়াই।
সকালে যখন পড়ানো শেষ করে রুমের দিকে যাচ্ছিলাম পথে তারিনের মায়ের সাথে দেখা। তিনি আগেও পড়াতে বলেছিলেন উনাদের বাসায় আমি রাজি হয়নি।আজ না করার উপায় পেলাম না।পড়াতে হবেই আমি অপারগ হয়ে হ্যা বলি।
বেশ ভালই চলছিল দুইটা প্রাইভেট একটা সেন্টারের সাথে স্বাধীনতাও ঠিক ছিল।তারিনের বোন কে পড়িয়ে আর রুমে যেতাম না রেল লাইন আমার বেশ প্রিয় তাতে টলতে টলতে হাটতেও বেশ আনন্দ পায়।কেমন যেন জীবনের মতই দেখতে সহজ সোজা হলেও চলা কিন্তু বেশ কষ্টের।পড়ে গিয়ে আবার ছোটে চলার শক্তি জাগিয়ে ফের চলা।
হঠাৎ একদিন আমার ফোনে একটা মেসেজ আসে আমি তখন সেন্টারে বাড়ির কাজ দেখছিলাম। খাতা শেষ করে ফোনে মেসেজ টা ওপেন করতেই চোখে পড়লো “আমি তারিন আপনি কি আজ আসবেন ”
হুম আসবো কেন তোমরা কি কোথাও যাবে? না আমরা ঠিক না মা হয়তো কোথাও যাবে।
আচ্ছা তাহলে আমি কাল আসি।
না, আপনি আসুন যদি অন্য কোনো কাজ না থাকে।
কথা গুলি মেসেজের মাধ্যমেই হয়।
ফোণ রেখে আমি বিশ্মিত হই আমার ফোণ নাম্বার তাদের বাসার কারো কাছে নাই তাহলে সে আমার নাম্বার কই পেলো।এসব ভেবে আমি ক্লাসে মননিবেশ করি তবে খুব বেশি যে করতে পেরেছিলাম তা বললে মিথ্যে বলা হবে।
বাসায় গিয়েই আমি তারিনের সামনে পরি ওর বোন বাসায় নেই আমাকে নাস্তা দিয়ে সে তার বোনকে খুজতে যায়। নাস্তার প্লেটে একটুকরো কাগজ আমার চোখে পরে, তা হাতে নিয়েই আমি থ হয়ে যায়।খুব সুন্দর হাতের লিখা, লিখা ছিল আজ রাত ১২ টায় আমি আপনার সাথে কথা বলবো দয়া করে ঘুমাবেন না।
লিখাটা পড়ে আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না যে আমি কি এখন বসে থাকবো না উঠে চলে যাবো। আমার ভাবনা শেষ না হতেই ওরা আসলো বাসায়।খুব স্বাভাবিক ভাবেই তারিন আমার সাথে কথা বলছিল যা দেখে আমি আরো অবাক হই।আমি হয়তো কোনো মেয়েকে এভাবে চিরকুট দিয়ে তার সামনে যেতে পারতাম না।
ঐদিনই প্রথম কথা হয় তারিনের সাথে।আমাকে বন্ধু বানাতে চায় সে, আমিও মেনে নিয়েছিলাম।আমাকে সে জিজ্ঞেস করেছিল কি বলে ডাকবে আপনি, তুমি, নাকি তুই।আমি তুই ঠিক করলেও সে তা না মেনে তুমি ঠিক করে।
আস্তে আস্তে আমাদের বন্ধুত্ব রূপ নেয় ভালবাসায়।কেন তাকে আমি ভালবেসেছিলাম তা আজও আমার অজানাই রয়ে গেলো। সত্যি ভালবাসতে কোনো কারণ লাগেনা। খুব তাড়াতাড়ি আমরা অনেক কাছাকাছি চলে আসি।তার প্রথম আবদার ছিল আমার কাছে প্রফেসার এর মেয়েকে পড়ানো যাবেনা।অনেক বুঝিয়েও আমিই হেরে ছিলাম। কিছু একটা বুঝ দিয়ে পড়ানো বাদ দেই।অনেক বার কল দিয়েছিল ছাত্রীর মা যাতে আমি পড়াই কিন্তু আমি কোনো না কোনো বাহানাতে রাজি হয়নি।
খুব ভালবাসতাম আমি তারিন কে হয়তো আজও বাসি তাইতো আজও কোনো মেয়েকে জীবনের সাথে জড়াতে পারিনি।পারিনি কারো প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া দিতে।তারিনও আমাকে খুব ভালবাসতো তবে তা ছিল শুধুই অভিনয়। খুব সুন্দর অভিনয় করতে পারে মানুষ।কখনো কখনো অভিনয় শিল্পিকে তারা হারমানিয়ে ফেলে নিমিশেই। তারিনও ছিল সত্যিকারের অভিনেত্রী যা আমার পক্ষে ধরা সম্ভব হয়নি। আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমালেও তার মন যে পড়ে থাকতো অন্য কারো বুকে তা আমি বুঝতেই পারিনি কোনোদিন।
এমন ভালবাসা আমায় সে দিয়েছিল যার কোনো সীমা নেই, নেই কোনো অন্ত।প্রতি সপ্তাহে একদিন আমরা সারাদিন একসাথে থাকতাম ঘুরতাম ফিরতাম খাওয়াদাওয়া করতাম। তারিন আমাকে নিজ হাতে খায়িয়ে দিতো আমিও তাই করতাম। তারিন আমার রুমে আসতো, আমার বুকে শুয়ে ঘুমাতো, এসেই আমাকে বলতো তুমার বুকে ঘুমানোর জন্য এসেছি। আমি তারিনের ঘুমন্ত মুখপানে তাকিয়ে থাকতাম অপলক।
রোজ সকালে আমাকে ঘুম থেকে উঠাতো,খাওয়ার কথা ঘুমের কথা সব ঠিক করে দিতো। আমি খুব মন ভুলা খুব সহজেই সব ভুলে যাই।এর জন্য সে আমাকে অনেক শাসন করত যা আমার কাছে অনেক ভালো লাগতো। আমি বাজারে গেলে ঐষধের কথা বার বার মনে করিয়ে দিতো। বলতো আমি না থাকলে কে তোমাকে এসব মনে করিয়ে দিবে?। আমি মৃদু হেসে বলতাম আর কারো দরকার নাই তুমিই তো আছো তুমিই মনে করিয়ে দিবে।আজ কি তার একটা বারও আমার কথা মনে হয়না?মনে হয়না আমি ঠিক আছি কিনা তা একবার জানতে।কেন হবে আজ তো তার আমার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে।
খুব শাসন করে রাখতো আমায়।বন্ধুদের সাথে ক্লাসের পর বের হতে দিতো না।বলতো বাইরে গেলে আমি ওকে সময় দিতে পারবো না।সে আমার সাথে কথা বলতে পারবে না।আমার সাথে কথা না বললে নাকি ওর দম আটকিয়ে যায়,সে ঠিক থাকতে পারেনা।
এখন হয়তো তার আর এমন হয়না,।
আমি তারিন কে কতটা ভালবাসতাম তা হয়তো এই রাত গুলি জানে।বিকেলবেলা খেলতে হবে তবে অন্য কোথাও না তাদের বাসার সাথে যে মাঠ আছে তাতে আমিও তাই করতাম। আমাকে না পেলে সে মরে যাবে।আমাকে ছাড়া সে বাচবে না।মাঝ রাতে এভাবেই কেদে কেদে সে আমাকে বলতো আজ হয়তো তার এসব মনে পারেনা।

চলবে,,,,,,

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত