1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

গল্প নয় সত্যি (শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ) ——————-> মোহাম্মদ মুজিবুল হক।দৈনিক বাংলার কথা অনলাইন।

রিপোর্টার মোঃ মিরাজ হোসেন।
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

গল্প নয় সত্যি
(শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ)
——————->
মোহাম্মদ মুজিবুল হক।
তারিখঃ২৪/৪/২০২১

কোনো কাজে সফল হওয়ার জন্য ঐ কাজ সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করাই হচ্ছে প্রশিক্ষণ।
সৈনিকের কাজ যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনা। বিজয় অর্জনের জন্য রণ কৌশল সম্পর্কে
সম্যক জ্ঞান থাকতে হয়। তাই যুদ্ধ ক্ষেত্রে যাওয়ার পূর্বে সৈনিকদের অবশ্যই সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা অপরিহার্য।
যে সৈনিক প্রশিক্ষণকাল গুরুত্ব সহকারে কাজে লাগান তিনিই কেবল যুদ্ধ ক্ষেত্রে বীরত্বের পরিচয় দিয়ে থাকেন। অপরদিকে, এর বিপরীত কাজ যে সৈনিক করেন তার জীবন হয় ঝুঁকি পূর্ণ। তিনি পরাজিত কিংবা নিহত হন, প্রতিপক্ষের হাতে ধৃত হতে পারেন; এমন কি যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে কাপুরুষের মতো পালিয়ে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা করতে পারেন।
যে সৈনিক যুদ্ধ ক্ষেত্রে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনেন কিংবা যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন, তার মর্যাদা ও অবদান ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে যায়। কাপুরুষ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়।
একজন মুসলমানের জীবনও সৈনিক জীবনের মতো। তার পার্থিব জীবনকে সফল ও পরকালীন জীবনকে শান্তিময় করার জন্য মহান আল্লাহ যে সমস্ত বিধি-বিধান দিয়েছেন তন্মধ্যে রমজান
মাসে রোজা পালন অন্যতম। রোজার সময়টাকে মুসলমানদের জন্য প্রশিক্ষণ কাল বলা হয়। যথানিয়মে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে একজন মুসলমান খোদাভীরুতা (তাকওয়া) অর্জন করতে পারেন। রোজা পালনের মূল উদ্দেশ্য তা-ই।
শুধুমাত্র পানাহার ও কামাচার বর্জন করার নাম রোজা নয়। রোজাদার তার মনকে যেমন কুধারণা
থেকে মুক্ত রাখেন,তেমনিভাবে দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
সমূহকে হেফাজত করে থাকেন।
দৃষ্টিকে সংযত রাখা রোজার অন্যতম শর্ত। যেসব
বস্তু বা ব্যক্তির প্রতি দৃষ্টি দেওয়া নিষেধ তা না দেখা। সোস্যাল মিডিয়া,টিভি,পত্র পত্রিকা যে মাধ্যমে হোক না কেনো তা দেখা থেকে বিরত থাকা।
শ্রবণ ইন্দ্রিয় তথা কানকে অশ্লীল কথা-বার্তা,
ঝগড়া-ফ্যাসাদ শোনা থেকে বিরত রাখা।
বাক সংযম তথা জিহ্বার হেফাজত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোজা রেখে অহেতুক কথা বলা,পরনিন্দা (গীবত) করা,গালি-গালাজ করা,ঝগড়া-ফ্যাসাদ করা,মিথ্যা কথা বলা বা মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
হাত দিয়ে এমন কিছু করা বা ধরা যা রোজাকে নষ্ট করে দিতে পারে তা থেকে বিরত থাকা। ঠিক একইভাবে পা দিয়ে (কোনো বাহনের মাধ্যমে হলেও) এমন জায়গায় যাওয়া যেখানে গেলে রোজার পবিত্রতা নষ্ট হয়ে যায় সেখানে যাওয়া থেকে বিরত থাকা।
অন্তরের পবিত্রতা রক্ষা রোজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। মন থেকে চিন্তার উৎপত্তি এবং চিন্তা যে রকম হয় কর্মও সে রকম হয়ে থাকে।
তাই অন্তরে কুচিন্তা ও কুধারণা করা যাবে না।
কারো ক্ষতি করার চিন্তা করা যাবে না।
রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত বছরের অন্যান্য সময়ের
চেয়ে সহস্রগুণ মূল্যবান ও বরকতময়। তাই এই সময়ের মধ্যে যতো ধরণের ভালো কাজ আছে তার কোনো না কোনোটা করার চেষ্টায় রত থাকা।
তাসবীহ-তাহলীল,কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার,নফল ইবাদত বন্দেগি বেশি পরিমাণে আদায় করা,পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাআতে আদায় করার চেষ্টা করা।
খতমে কুরআন তারাবির নামাজের মাধ্যমে আদায় করতে না পারলে নিজে কুরআন খতম দেওয়া।
পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তা না পারলে অন্তত আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে তা করার ব্যবস্থা করা।
হালাল রোজগারের মাধ্যমে হালাল খাবার দিয়ে সেহেরি ও ইফতার খাওয়া।
ক্ষুধা-পিপাসার তীব্রতা রোজা পালনের মাধ্যমে সহজে উপলব্ধি করা যায়। তাই সারা বছর যারা অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটায় তাদেরকে সাধ্য ও সামর্থানুযায়ী বিভিন্নভাবে সাহায্য করা।
অপর রোজাদারকে ইফতার করানোর মধ্যেও বেশুমার নেকী হাসিলের উপায় নিহিত আছে।
সর্বোপরি, রোজা পালনের মাধ্যমে একজন মুসলমান শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক, পারিবারিক, সামাজিক,অর্থনৈতিক তথা সর্বদিক দিয়ে পরিপূর্ণভাবে নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ লাভ করে থাকে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে যে উপকৃত হতে পারে না তার মতো হতভাগা আর নেই।
পরিশেষে – মাসব্যাসী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে অর্জিত প্রশিক্ষণ বছরের বাকি এগারো মাস কাজে লাগাতে পারলেই একজন মুসলমান মুত্তাকী (খোদাভীরু) হয়ে যায়। তাদের জন্য রয়েছে মহা সুসংবাদ দিদারে ইলাহি। রোজা প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ নিজেই দিবেন। সুতরাং রোজাদারের জন্য কোনো চিন্তা নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত