1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

পার্বত্যে করোনার চাষ নেই – রশিদ আহমদ।দৈনিক বাংলার কথা অনলাইন।

রিপোর্টার মোঃ মিরাজ হোসেন।
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্যে করোনার চাষ নেই
– রশিদ আহমদ।
( দুই বন্ধুর ফোন আলাপ)

* ঢাকা থেকে – এস কে খান চাষী :-
– হ্যালো বন্ধু, কি খবর?
* বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে –
এমেশ চি সত্যেন চাক :-
– ধন্যবাদ বন্ধু, আমি ভালো, তুমার কি কি খবর?
– দু ‘ দিন ধরে আমার শর্দি কাশি, করোনা টেষ্টের জন্য হাসপাতাল এলাম।
– ওহ, তোমরা তো ভাই করোনার চাষ করে বেড়াচ্ছো।
– মানে?
– করোনা কালিন নিয়ম নীতি, লকডাউন না মেনে যেভাবে মিটিং, মিছিল, লোক সমাগম করে বেড়াচ্ছো…… এটা কি করোনার চাষ নয়?
– যাদের পেটে ভাত নেই, তারা কয় দিন লকডাউন মানতে পারে বলো?
– আর যারা বিভিন্ন ইস্যুতে মিটিং মিটিং করছে…
তারা কিসের দায়ে করছে?
– সেটা অন্য ব্যাপার!
– যে ব্যাপারেই হোক, তাদের অবাদ সমাগমের কারণেই করোনা বাড়ছে তোমাদের ওখানে। যা সারা দেশেই ছড়িয়ে যাচ্ছে।
– হ্যাঁ, কিছু লোক এমনটা করছে , বাকি আমরা অসহায়।
– এ সব না করে লকডাউন চলাকালীণ সময়ে ওখানকার বিত্তশালীরা যার যার প্রতিবেশীদের আর্থীক সহায়তা দিলে এবং সবাই নিয়ম মানলে তো করোনা নিয়ন্ত্রণে আনা অনেক টা সহজ হতো।
– হ্যাঁ ভাই, তোমাদের পাহাড়ি এলাকায় করোনার খবর কি?
– এখানে করোনা খুবই কম।
– কারণ?
– আমরা কঠোর নিয়ম মেনে চলি। লকডাউন ঘোষনার সাথে সাথে পাড়া বন করে রাখি।
– পাড়া বন কি?
– ” পাড়া বন ” মানে হচ্ছে দেশে বা এলাকায় কোন মহামারী দেখা দিলে কারবারী বা পাড়া প্রধাণ এর নির্দেশে এক পাড়ার মানূষ অন্য পাড়ায় যেতে পারেনা, লোক সমাগম করে কোন সামাজিক অনুষ্ঠান করা যায়না। এ সময় পাড়ার বিত্তশালীরা দরীদ্রদের বাড়ীতে প্রয়োজনীয় খাবার ও ঔষধ পত্র পাঠিয়ে দেন এবং বাড়ীতে বসেই নিজ নিজ ধর্মীয় আরাধনায় বেশীর ভাগ সময় কাটান সকলে। অপ্রয়োজনে পাড়ার মধ্যে ঘরের বাইরে পর্যন্ত ও যাইনা আমরা।
বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতি মহিলাদের প্রতি শতর্ক দৃষ্টি ও যত্ন নিয়ে থাকেন পরীবারের অন্যান্যরা। তাই আমাদের পাহাড়ে করোনার চাষ নেই।
– কোন মেহমান এলে?
– এমন পরিস্থিতিতে ( ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা, হাম,গুটি বসন্ত, বর্তমানে করোনা) ইত্যাদিকে আমরা আপদকালীণ সময় বলে থাকি।
আর আপদকালীণ সময়ে কারো বাড়ীতে কোন মেহমান এলাউ করা নিষেধ।
– তো… এ সময় প্রয়োজনীয় হাঁট বাজার কিভাবে করো?
– আপদকালীণ সময়ের পূর্বে আনা যাদের বাড়ীতে যা থাকে পাড়ার সবাই মিলে তা পরস্পর ভাগ করে খাই ;
তা ছাড়া আমাদের পাহাড়ে বিভিন্ন প্রাকৃতিক তরি তরকারী, লতা পাতা, বাঁশকুরল ইত্যাদি তো আছেই, একদম ফরমালীণ মূক্ত।
– বাঁশকুরল কি?
– কচি বাঁশ বা নতুন গজে উঠা বাঁশের ডগা।
– বাজারে না গেলে তৈল পাও কোথায়?
– আমরা তৈলের ব্যাবহার খুবই কম করি, নাপ্পি বা সিদল দিয়েই চলে।
– নাপ্পি বা সিদল কি?
– শুটকি মাছকে দুপে এক ধরণের দলা তৈরী করে রাখা হয়, যার স্থানীয় নাম নাপ্পি বা সিদল, সারা বছরের জন্য আমরা তা মজুদ করে রাখি।
মাছ মাংশ না পেলে ” কারিবঙ ” দিয়েই খাবার শেরে নিতে পারি।
– কারিবঙ কি?
– নাপ্পি দিয়ে বিভিন্ন সব্জির সংমিশ্রণে এক ধরণের ভর্তা।
– ওখানকার বাঙ্গালীরাও কি নাপ্পি খায়?
– না, সবাই খায়না ; বড়ুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই খায়। মুসলিমরা সরাসরি শুটকী মাছ খায়।
– মাছ মাংশ কোথায় পাও?
– এখানে অনেকেই মাছ চাষ করে আর সব বাড়ীতেই হাঁস – মুরগী, গরু – ছাগল পালে তা ছাড়া খালে তো মাছ, কাঁকড়া ইত্যাদি আছেই।
আমরা সব সময় নিজেদের উৎপাদিত ফলমুল এবং জৈবিক খাদ্যকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি।
– ধন্যবাদ, আজ তোমার সাথে আলাপ করে অনেক কিছুই জানতে পারলাম বন্ধু।
– তোমাকেও ধন্যবাদ। একবার বেড়াতে আসার নিমন্ত্রণ রইলো, দেশের সর্বত্র সবাই যেন স্বাস্থ বিধি মেনে চলে এটাই প্রত্যাশা রইলো বন্ধু।
#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত