1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

ফন্ধিবাজ কাঁকড়া ও বর্তমান প্রেক্ষাপট – রশিদ আহমদ।বাংলার কথা অনলাইন।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

ফন্ধিবাজ কাঁকড়া ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
– রশিদ আহমদ।
তারিখ:- ২১/০৪/২০২১ খ্রি:।

এক পাহাড়ি ঝিরিতে আছে বড় একটি কুম।
সেই কুমে বাস করে ছোট বড় বিভিন্ন রকমের মাছ, কচ্ছপ, সামুক, ঝিনুক ও কাঁকড়া।
প্রাকৃতিক খাবারে ভরপুর সেই কুম।
স্বচ্ছ জলে সেই প্রাকৃতিক খাবার খেয়েই খুব সাচ্ছন্দে চলতো তাদের জীবন। যার যার বংশ বিস্তারে এক সময় তাদের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেলো আর খাদ্য সংকট দেখা দিলো, অপর দিকে লোক জন সেই কুমের ধারে থাকা গাছ গুলো কেটে নিয়ে যাওয়ায় কুমের উপর ছায়ার সংকট দেখা দিলো আর গ্রীষ্মকালের প্রখর রোদ্র তাপের কারণে পাহাড়ে খরা দেখা দিলো।
কুমের পানি ও ধীরে ধীরে শুকিয়ে যেতে লাগলো, অসংখ্য জলজ প্রাণীরা দিন দিন অনাহারে – অর্ধাহারে জীবন যাত্রায় কঠীন সংকটের সম্মুখীন হতে লাগলো।
হঠাৎ এক দিন কাল বৈশাখী ঝড় এলো এবং বৃষ্টির পানিতে সেই কুম টি পরিপুর্ণ হয়ে কুম থেকে হাল্কা হাল্কা পানি খালের দিকে প্রবাহিত হতে লাগলো।
তখন মাছেরা চিন্তা করলো, এবার খালে চলে গেলেই ভাল হয়, কিন্তু কুমের মুখে এক মাছ শিকারী জাল বসিয়ে দিলো, কিছু মাছ তার জালে ধরা পড়লো, বাকী মাছেরা তা দেখে কুমের এক পাশে ঝুপে লুকিয়ে পড়লো এবং শিকারীর জালে ধরা পড়া তাদের স্বজনদের জন্য ও নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য কান্নাকাটি করতে লাগলো।
এমন সময় কিছু ফন্ধিবাজ কাঁকড়া এসে মাছদের এই বলে শান্তনা দিতে লাগলো যে, তোমরা চিন্তা করোনা, আমাদের তো অনেক গর্ত আছে? তোমরা সবাই ওখানে লুকিয়ে থাকতে পারবে, আমরা কথা দিচ্ছি তোমাদের আর ধরে ধরে খাবোনা। নিরোপায় মাছেরা কাঁকড়াদের কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করলো আর সেই মাছ শিকারী চলে যাওয়ার পরেও মাছেরা সেই কুমেই রয়ে গেলো।
কিছু দিন পর আবার সেই কুম টি শুকিয়ে যেতে লাগলো আর পাহাড় থেকে সাপ এসে বড় বড় সব মাছ গুলো খেতে লাগলো, এক সময় পানি যখন সম্পুর্ণ শুকিয়ে গেলো তখন কাঁকড়াদের পরামর্শ মতো অবশিষ্ট ছোট মাছ গুলো প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে কাঁকড়াদের গর্তে ঢুকে পড়লো, তখন ধুর্ত কাঁকড়ার দল অসহায় মাছ গুলোকে একত্রে পেয়ে একে একে ধরে খেতে লাগলো।
মাছ গুলো ফরিয়াদ করতে লাগলো, আহা! কোন কাঁকড়া শিকারী এসে যদি এই ঈমানদার ভেশধারী বেঈমান কাঁকড়াদের ধরে নিয়ে যেতো ; তখন নতুন বর্ষা এলে আমরা হয়তো অনেকেই বেঁচে যেতাম!
কিছু দিন পর ঠিকই অভিজ্ঞ কাঁকড়া শিকারী এলো আর একে একে সেই পাঁজি কাঁকড়াদের ধরা শুরু করে দিলো, তখন বেঁচে যাওয়া বাকী মাছেরা আবার নতুন করে নিরাপদে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে লাগলো ; তারা বুঝে গেলো যে,কখনো শিকারী, সাপ আর ধূর্ত কাঁকড়াদের বিশ্বাস করতে নেই।
( সমাপ্ত)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত