1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

গল্পঃ আয়ামরা তিনজন।লেখকঃ আফজালুর রহমান । শেষ পর্ব।বাংলার কথা অনলাইন। ।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

গল্প,
আয়ামরা তিনজন।।
শেষ পর্ব।
তবে আজ তিনি একটু বেশিই উৎসুক।
সন্ধ্যায় বাসায় গিয়েই মনে হল আজ সবাই খুশি।
মেঘের বাবা আমাদের দেখে লাফ দিয়ে উঠে আমাদের ঘরে নিয়ে গেলেন। ঘরে কিছু অপরিচিত মানুষ ছিল যারা আমাদের দিকে তাকাতেই মেঘের বাবা বললেন এরা দিন জন আমার ছেলের মতই আমার সব কাজ এরাই করে দেয়।
বিয়ের যাবতীয় কাজের দায়িত্বটাও ওদেরই থাকবে।
এই কথা শুনে আমাদের ভিতরটা যেন ভেঙে চুড়ে একাকার হয়ে গেছে।কিন্তু চেহারায় তার ছাপ পরার আগেই আমাদের চোখে পড়ল মেঘের সহাস্যমুখ।
ছেলে কানাডায় থাকে বিশাল ব্যবসা অনেক বড়লোক তার উপরে দেখতে নায়কের মত এমন ছেলের পাশে দাঁড়াবার সামর্থ্য আমাদের নেই।
বিয়ের কার্ড বিলি করা থেকে শুরু করে বাজার করা মেঘের বিয়ের কেনাকাটা সব কিছুই করতে হয় আমাদের।
আমাদের ভালবাসার মানুষ আমাদের না হোক তবুও সে যেন সুখে থাকে ভালো থাকে সেই জন্য বিয়ের কোনো জিনিশেই বিন্দু ছাড় দেয়নি আমরা।সকাল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত কাজ করেও ক্লান্ত ভাবটা আমাদের মুখে আমরা আসতে দেয়নি।
বিয়ের কোনো কাজে কোনো খুৎ আমরা হতে দেয়নি।মেঘ যখন লাল বেনারসি গায়ে জড়িয়ে বসেছিল, তখন তাতে যা সুন্দর দেখাচ্ছিল তা ভাষায় প্রকাশ করা দায়।ছেলে পক্ষ মেঘের সর্বাঙ্গ সোনায় মোড়িয়ে দিয়েছে। বিয়ের পর মেঘ কে গাড়িতে তুলতে গিয়ে গাড়ির দরজা খুলতে বেশ কষ্ট হয়েছিল আমার, তা কাওকে বুঝতে দেয়নি আমি।যতটা চোখের পানি মেঘের চোখ থেকে ঝরেছে সবাইকে ছেড়ে যেতে তার থেকেও বেশি ঝরেছে আমাদের তাকে বিদায় দিতে।
মেঘকে যখন বিদায় করে দিলাম তখনও সন্ধ্যে হয়নি, সূর্য্য তখনও আকাশেই আছে, তবে আর যে বেশিক্ষণ নেই তা আমাদের বুঝতে বাকি নেই।
এদিকে সব শেষ করে আমরা তিন জন আবার ফিরে আসলাম আমাদের সেই খোলা মাঠে, হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে পরলাম তিন জন সেই আগেরমতই।এভাবেই আবার আগের জায়গায় ফিরে গেলাম আমরা।কলেজ যাইনা সন্ধ্যায় মাঠে শুয়ে থাকি গাছের ডাব চুরি করে খাই,মেঘদের বাসাতেও যাইনা কেও।
মাঠে শুয়ে শুয়ে আকাশের তারা গুনছিলাম আমরা কারো গলায় সব এলোমেলো হয়ে গেলো।
কোথায় থাকো তোমরা শুনি।তোমাদের খুজে আমি শেষ,কাল মেঘ আর তার স্বামী আসছে কত কাজ কে করবে শুনি।

সমাপ্ত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত