1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

গল্পঃ আমরা তিনজন।লেখকঃ আফজালুর রহমান। দ্বিতীয় পর্ব।বাংলার কথা অনলাইন ।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

আমরা তিনজন।

আফজালুর রহমান 
দ্বিতীয় পর্ব।
কোথায় থাকো তোমরা তুমাদের তো দেখাই নাই।
আপনি কি কোনো কারনে আমাদের খুজছেন? ফারাবি জিজ্ঞেস করলো।
হ্যা আমি তোমাদের সারা মহল্লা খুজে শেষ।
কেন বলুন তো?
এখানে তো তোমাদের ছাড়া আমি আর কাওকে তেমন চিনিনা। তোমরা আর মেঘ একই ক্লাসে পড় তাই মেঘের প্রাইভেটের জন্য তুমাদের সাহায্য লাগবে।
আমি ফারাবির দিকে তাকালাম, এমন সময় নীল বলে উঠলো চাচা আপনাকে কোনো চিন্তায় করতে হবেনা। আমরা যেই স্যারের কাছে পড়ি মেঘও সেখানেই পড়তে পারে যদি তার কোনো সমস্যা না হয়।
তাহলে তো ভালই হয় তুমাদের সাথে আসাযাওয়া করলে আমার আর কোনো চিন্তা থাকেনা। তাহলে তোমরা এক সময় বাসায় এসে ওর সাথে কথা বল।কখন আসতে পারবে তোমরা?
নীল স্বাবলিলভাবে বলল, আমরা কাল সন্ধায় আসবো মেঘের সাথে কথা বলতে।
আমরা কোন স্যার এর কাছে পড়ি রে?
আমি নীল কে জিজ্ঞেস করলাম।
নীল বলল চল তকিব স্যার এর কাছে যাই!
স্যার কি আমাদের পড়াতে চাইবেন?
কেন চাইবেন না? স্কুলে যায়না তাতে কি ফেইল তো কখনই করিনা। আর উনি ছাড়া আর কেও আমাদের পড়াতে রাজি হবেন বলে তো মনে হচ্ছে না।
স্যার এর সাথে কথা বলে বাসায় ফিরলাম, স্যার রাজি হয়েছে তবে অনেক কষ্টে,এখন মেঘ রাজি হলেই হয়।
দরজায় নক করতেই মেঘের বাবা এসে আমাদের বসার ঘরে নিয়ে গেলেন।জানো বাবা নিজের ছেলে না থাকলে আর নতুন জায়গায় বাসা নিলে যা হয় আরকি। তোমাদের অনেক জালাতন করছি তাইনা?
না চাচা জালাতন বলছেন কেন এটা তো আমাদের দায়িত্ব।
তোমরা বস আমি মেঘ কে পাঠাচ্ছি।
সব কথার উত্তর যেন নীলের মুখে তৈরি থাকে সবসময়। আমার এটা নিয়ে রাগ হয় মাঝেমাঝে ওর জন্য আমরা কথাই বলতে পারিনা।
হাতে নাস্তার ট্রে নিয়ে মেঘ আসলো।মেঘ নামটা আজ সার্থক মনে হচ্ছে।ঘন কালো লম্বা চুলগুলি আজও সামনের দিকেই আছে তবে আজ তা স্পষ্ট। আকাশে মেঘ করলে যেমন সব কিছু কালো হয়ে যায় ঠিক তেমনি তার চুলের কাছেও যেন সকল সুন্দর ম্লান হয়ে গেছে।আমি ওর চুলের দিকেই তাকিয়ে আছি,আমার ভিতরের আমিটা আমাকেজিজ্ঞেস করছে, কিরে চুলের প্রেমে পরে গেলি নাকি?আজ মনে হচ্ছে প্রেমে পরার ক্ষেত্রে চুল অনেক ভূমিকা রাখে,যা আগে কখনো মনেই হয়নি।
মেঘের সাথে কথা হল আমরা প্রতিদিন তাকে বাসা থেকে নিয়ে যাবো আবার বাসায় দিয়ে যাবো, একইভাবে স্কুলের ক্ষেত্রেও আমরা এই দায়িত্ব পালন করবো। এতে তারা দিন জনই বেশ খুশি হলেন।মেঘের মা আরো একটু বাড়িয়ে বললেন তুমাদের চাচা তো এখানে তেমন কিছুই চিনেন না যদি কোনো দরকারে তোমাদের ডাকি তাহলে তোমরা আসবে তো?
সবাই স্বনান্দে তাও গ্রহন করলাম।আমাদের তখন একটাই নেশা মেঘের কাছাকাছি থাকতে পারা তার জন্যে যদি ভালো হতে হয় তাও করতে আমরা রাজি।
আমরা এখন নিয়ম করে স্কুলে যায়, প্রাইভেটে যায় আর সুযোগ পেলেই মেঘদের বাসায় কখনো কোনো কাজে বা আড্ডা দিতে।আমরা সবাই মেঘ কে নিজের করে পেতে চাই তবে কাওকে ঠকিয়ে না।
আমারা তিন বন্ধু তাকে মনে মনে ভালবাসলেও বলতে সাহস পাইনি দুই কারনে প্রথমত মেঘের বাবা মা আমাদের উপর খুব সরসা করেন মেঘ কে আমরা আমাদের মনের কথা বললে তাদের সেই ভরসা শেষ হয়ে যাবে, তারা অনেক কষ্ট পাবে যা আমরা কোনোভাবেই চাইনা।
দ্বিতীয়ত আমাদের কথা শুনে যদি মেঘ আমাদের থেকে দূরে চলে যায় আর কখনই আমাদের সাথে কথা না বলে এক সাথে ক্লাসে প্রাইভেটে না যায় তাহলে আমরা কি করবো।মেঘের সঙ্গ আমরা হারাতে চাইনা, চাইনা সে আমাদের ছেড়ে আমাদের থেকে দূরে সরে যাক।আমরা যখন মেঘের সাথে থাকি তা যে কতখানি সুখ দেয় আমাদের তা হয়তো কোনোভাবেই কোনোদিন প্রকাশ প্রকাশ করা যাবেনা।
এই দুই ভয়ে আমরা আমাদের ভালবাসার কথা মেঘের সামনে কখনই বলতে পারিনি।
মেঘ কে আমরা এতটাই ভালবাসি যে যেদিন আমাদের মধ্যে কেও কোনো কারনে স্কুলে বা প্রাইভেটে না যায় দেসিন মেঘ কোন জামা পরেছিল কেমন করে সেজেছিল কি কি কথা সে সেদিন বলেছিল তা অন্যের মুখ থেকে শুনার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকি।যতক্ষণ না শুনি ততক্ষণ যে আমরা কিভাবে বেচে থাকি তা কেমব মাত্র আমরা দিন জনই জানি বা বুঝতে পারি।
এই বিষয় নিয়ে ফারাবি আর নীল আমাকে হিংসা করে।আমি সবার থেকে কম স্কুল বা প্রাইভেট কামাই দেই আর যতটা পারি মেঘের অনেক কিছু ওদের থেকে লোকাতে চাই যা ওরা কিছুটা হলেও আনতাজ করে।
এক বার ফারাবি তাদের গ্রামে যায় বেড়াতে নীলের কোনো এক ভায়ের বিয়ের জন্য সেও যায় গ্রামে।এই সাতদিন আমি একা ছিলাম মেঘের সাথে যার অনেক কিছুই আমি নিজের একান্ত করে রেখেছি ওদের বলিনি।
বছর শেষে মেট্রিক এ আমাদের ফলাফল অনেক ভালো হয় যার জন্য আমাদের কেও ই প্রস্তুত ছিলাম না।
মহল্লার অনেকেই আমাদের এখন ভালো চোখে দেখে যা আগে কখনই হত না আমাদের সঙ্গে।
তবে আমরা মনে মনে এখন খুব বিষণ্ণ থাকি যখন আমরা দিন জন এক সঙ্গে থাকি। অনেক জায়গা থেকে মেঘের জন্য বিয়ের কথা হয় যা আমাদের মেঘের মা বাবা বলেন,আমাদের কাছে জানতে চান কি করবেন আমরাও খুব স্বাভাবিক ভাবেই যা পরামর্শ দেয়ার তা দেই।
হঠাৎ একদিন মেঘের বাবা আমাদের সন্ধায় তাদের বাসায় থাকতে বললেন যা তিনি আগেও বলেছেন।
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত