1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

গল্পঃ আমরা তিনজন,লেখকঃ আফজালুর রহমান।বাংলার কথা অনলাইন।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

গল্পঃ আমরা তিনজন

বিকেল হবে হবে ভাব কিন্তু বাসা থেকে কোনোভাবেই বের হতে পারছিনা। বড় মামা এসেছে কত কথা কত জ্ঞান দিচ্ছে কিন্তু আমার তো এসব ভালই লাগছে না।অই দিকে ফারাবি আর নীল হয়তো স্কুলের মাঠে চলে গেছে।আমার এমনি প্রতিদিন দেরি হয় পায়ের সমস্যার জন্য হাটতে কিছুটা কষ্টই হয়।কিন্তু মাঠে শুয়ে সূর্য্য ডুবা না দেখলে যে কিছুতেই ভালো লাগেনা। পানি খাওয়ার কথা বলে মামার সামনে থেকে যাওয়ার ফন্দী করলাম কাজও হল।এক পলকে বাইরে চলে গেলাম। মাঠে এসে দেখি ফারাবি আর নীল আমার জন্যেই অপেক্ষা করছে।তাদের পাশে শুয়েই অনুভব করলাম যে তারা যেন কি লোকাচ্ছে আমার থেকে।কি তা বুঝতে পারছিনা।
নীল বল্ল কিরে লেইট ম্যান কে কি বলবো?.
ফারাবি উত্তরে বলে উঠলো এমন কথা কি আর ফ্রি তে বলা যায়?।
কিছু লাগবে তবেই তো বলা যাবে।
তাহলে কি লাগবে বলে দে তুই।
যদি মফিজের দোকানের কড়া লেবু চা খাওয়ায় তাহলে বলা যেতে পারে।
ওকে যা তাই হবে এখন বল কি হইছে এমন।
আচ্ছা তাহলে শুন ফারাবি ঘাড়টা আমার দিকে করে বলতে শুরু করলো।
মেজরের বাড়িতে আজ কারা যেন উঠেছে।
কারা?
তা জানিনা, তবে খবর লাগাতে হবে।
কিভাবে খবর নিবি কিছু প্লান আছে?
হুম, খুব গুছালো একটা প্লান করেছে নীল।।
কি প্লান বলত শুনি?
আগামী সপ্তাহে স্কুলের যে অনুষ্ঠান আছে তার জরিপের নাম করে যাবো বাসায়।
এটা তো স্কুলের ভালো ছাত্ররা করে, আর হ্যাড স্যার তো আমাদের ছাত্রই মনে করেন না।
নীল হেসে বল্ল, কেন মনে করবে, আমরা কি কখনো স্কুলে যাই নাকি?.
স্কুলে না যাই আমাদের নাম তো আছে।আর আমরা তো কোনো ক্লাসে দুই বছর থাকিনি।
আচ্ছা এসব বাদ দে এখন প্লান শুন।কথাটা বলেই উঠে বসলো নীল।
আমি আর ফারাবি শুয়েই আছি।
আমরা গিয়ে ওদের সব খবর নিবো স্কুলের নাম করে।পরিবারের সদস্য কতজন।কে কি করে, আগে কোথায় থাকতো সব।
আচ্ছা কেও যদি আমাদের আগে চলে যায়?.।
কথাটা বলতেই আমার দিকে বিরক্তি নিয়ে তাকালো তমাল।
তুই কি কখনই চতুর হবি না।ওনারা কিছুক্ষণ আগেই এসেছে, আর আমরা কাল সকালেই যাবো যাতে আমাদের আগে কেও যেতে না পারে।
ফারাবি বলল সবাই সকাল ৯ টায় রাস্তার মাথায় থাকবি।আমি উপরে তাকিয়ে বললাম গাছের ডাব গুলা বড় হইছে মনে হয় কেও পারতো।
রাতের গার্ড আসার আগেই শেষ করতে হবে।
ডাব শেষ করে বাসায় এসেই দেখি মা তো রেগে আগুন হয়ে আছে।আমি এমন ভাব ধরলাম যেন কিছুই জানিনা আমি।
মা বল্ল কই ছিলি?
রোজ যেখানে থাকি।
ভালো হবিনা তুই?
কবে খারাপ ছিলাম বলেই আমার রুমে চলে গেলাম।
পা টা যে কবে ঠিক হবে আর ভালো লাগেনা।
আসাদ স্যারটাও জানে আমরা পালাবই তাও ধাওয়া দিল।
আজ আগে আগেই ঘুমাতে হবে নইলে সকালে উঠতে পারিবো না।
ঘুম থেকে উঠেই বইপত্র নিয়ে বের হলাম।আমি সবার আগেই রাস্তার মাথায় চলে গেলাম।তারপর বাকিরা আসতেই প্লান অনুযায়ী বাসায় ডুকলাম।মূল ফটক খুললেন মাঝ বয়সী একজন।
সালাম দিতেই জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কারা চিনলাম না তো!
চাচা আমরা এই মহল্লারই পাশের স্কুলেই আমরা পড়ি।আমাদের স্কুলের কালচারাল প্রোগ্রাম আগামী সপ্তাহে তাই আমরা আপনাদের জরিপ করতে এসেছি।
আচ্ছা ভিতরে আসো।
ভিতরে বসতেই একজন চা নিয়ে এলেন।
চায়ের দিকে না তাকিয়েই ফারাবি জিজ্ঞেস করলো চাচা আপনারা কতজন?
আমরা বলতে আমি তুমার চাচী আর আমাদের এক মেয়ে।
সব শুনে জানতে পারলাম মেয়েটার নাম মেঘ,বয়সে আমাদের সমান হলেও লেখাপড়ায় আমাদেরমত না অনেক ভালো।উনিও আর্মি তে চাকরী করতেন কিছুদিন হল অবসরে গেছেন।ফারাবি চালাকি করে বললেন আমাদের পর কেও আসলে শুধু সংখ্যা বললেই হবে।
বের হয়ার সময় আমি সবার পিছনে পরে গেলাম পায়ের জন্য।উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন পায়ে কি হয়েছে।একটু সাজিয়ে মিথ্যা বলতে কিছুটা দেরি হল।ততক্ষনে ওরা বাইরে চলে গেছে।
তখন হল আসল কাজ মেঘ তার ঘর থেকে বের হতেই আমাদের চোখাচোখি হয়ে যায়।হঠাত যেন আমার হৃদ ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
হলুদ জামার সাথে সাদা উড়না আর চুল গুলি আমনে পরে আছে।
আমি তাড়াতাড়ি বাইরে চলে আসি।ফারাবি আর নীল আমার জন্য অপেক্ষায় আছে।
আমি তাদের বললাম তোরা কি ক্লাসে যাবি?
নীল বললো ক্লাস করতে বই লাগে যা আমাদের সাথে নাই।
তাহলে এখন কি করবি?
ফারাবি বল্ল চল পুকুরপাড় গিয়ে বসি।
না রে যাওয়াটা মনে হয় ফাও গেলো, দুই হাত ব্যাঞ্চের উপরে দিয়ে গা ছেরে বসে বললো নীল।
ফারাবিও এমন ভাব করেই আছে।
আমি জিজ্ঞেস করার সূরে বললাম কেন?
মেয়েটা মনে হয় কালো হবে!
কেন বলতো?
মেঘ তো কালো মেয়েটাও মনে হয় কালো, তাই এমন নাম রাখছে।
আমি মৃদু হেসে বললাম মেঘ করলে আকাশ কালো হয় কিন্তু মেঘ কালো না।
নড়েচড়ে বসলো নীল, তার মানে?
মানে মেয়েটা অনেক সুন্দর।
তুই কি করে বুঝলি?
আমি দেখেছি তাই বুঝছি। সব খুলে বললাম ওদের।সবাই তো হা করে আছে।আচ্ছা দেখা যাক ভালো একটা প্লান বের করতে হবে কালচারাল প্রোগ্রাম টা শেষ হোক
কিছুদিন পর সন্ধ্যায় আমরা মাঠে শুয়ে আছি এমন সময় ভদ্রলোক এসে হাজির।
কেমন আছো তোমরা?
আমরা তো আকাশ থেকে পরলাম আমাদের সাথে এমন বাক্যালাপ তো কেও কখনই করেনা।
উঠে তাকাতেই উনাকে দেখে আমরা আরো অবাক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত