1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  4. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  5. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০২:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি। ঘরে বসে যে কোন বই কিনতে বা বিক্রি করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।বই বিপণী বিডি।মোবাইলঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪, www.boibiponibd.com

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টালে কিছু সংখ্যক সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪ অথবা সরাসরি মোহাম্মদপুর মোড় বাসস্ট্যান্ড,ছুটিপুর রোড,ঝিকরগাছা,যশোর।

কবি পারভীন আকতার রচনা সমগ্র। বাংলার কথা অনলাইন।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে
৮ই ফাল্গুন♥(কবিতা)
—————–
—পারভীন আকতার
আঠারো কোটি মানুষ যদি ৮ই ফাল্গুন পালন করতো;
তবে শহীদের তাজা আত্মা শান্তি পেতো।
২১ শে ফেব্রুয়ারী অর্ধেক বাংলা;
অর্ধেক ইংরেজীতে মাতৃভাষা লালন পালন আমার অদ্ভুত টেকে।
কেন হয় এমন জানি না।
জন্মের আগে থেকেই যে দিবস পালিত হয়!
আমার কী সাধ্যি ৮ই ফাল্গুন বলার!
বাংলা মাস কি তবে তখন গগনায় আসতো না?
রাজপথ কি ইংরেজিময় ছিল?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি ইংরেজ শাসন করতো?
উর্দু বয়ান শোনাতো আইয়ুব খান শুনেছি। ইংরেজ তো নয়!
তবে বারবার কেন বাংলা ভাষার সবখানে চর্চা নয়?
আমি করি না বলে তুমি প্রশ্ন করবে না বিবেক?
জাতকূল মান যায় নাকি ৮ই ফাল্গুন পালনে?
অদ্ভুত বিস্বাদ! গ্লানিবোধটুকু সরাতে দিল না।
একেকজনের একেক নীতি মতি!
কিঞ্চিৎ ভাবি না প্রত্নতাত্ত্বিক সামনের দিনগুলোতে মাটিতে থেকে কী খুঁজবে?
ফেব্রুয়ারী  না ফাল্গুন!
আগুন লেগেছিল সেই বাহান্নের ফাল্গুনে।
ভাষার আগুন;
আমার তোমার বাংলা ভাষার ফাগুন।
পলাশ ফুলের মতো লাল ছোপ ছোপ রক্ত
রাজপথেই ঝরেছিল সালাম,রফিক, বরকতের।
তাই তো আজ প্রতিবাদ মুখর আমি!
বাংলা হলে পুরো বাংলায় হোক।
২১ শে ফেব্রুয়ারী নয়,
ভাষা শহীদ দিবস,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
অহর্নিশ ৮ই ফাল্গুন ধরে পালিত হোক।
পারভীন আকতার
শিক্ষক,কবি ও প্রাবন্ধিক
চট্টগ্রাম।
——————————————————————————————————————————————————
বাঙালির একুশ একটি জাগরণে জাগানিয়া সংখ্যা♥(প্রবন্ধ)
—————————-
—-পারভীন আকতার
একুশ একটি সাধারণ সংখ্যা হলেও বাঙালি তথা বাংলাভাষীদের জন্য এটি খুবই গুরুত্ব বহন করে এবং করবে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ যতদিন থাকবে।বাংলা আমাদের রাষ্ট্র ভাষা,মায়ের মুখের মিষ্টি বুলি।যে ভাষায় আমরা কথা বলতে শিখেছি, নিজের কথা উচ্চারণ করে অভিব্যক্তি প্রকাশ করছি অবিরত।কত মায়া মধুরতা আছে এই ভাষায় তা বাঙালির রক্তপ্রবাহ জানে এবং মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে পারে।পাকিস্তানীরা চেয়েছি অভিন্ন পাকিস্তানে উর্দুই রাষ্ট্রভাষা হোক।কিন্তু বাঙালিরা এই ভাষা ব্যবহারে কখনোই অভ্যস্ত ছিল না।অখন্ড ভারতবর্ষ যখন পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্রের আলাদা মানচিত্র তৈরিতে ব্যস্ত তখন ভারতেরও অধিকাংশ মানুষ বাংলায় কথা বলত।হঠাৎ বিছিন্নতা,বাঙালিকে দু’ভাগ করে সীমানার প্রাচীর গড়ে দেয়া ছিল তখনকার রাজনীতির চরম ভুল পন্থা।ফলে পূর্ব পাকিস্তানিরা তথা বাঙালি সংখ্যা লঘিষ্ঠ হয়ে পড়ে যার কারণে শক্তিও কমে যায়।এখন কলকাতা,ত্রিপুরা আর আসামের মানুষ বাংলায় কথা বলে,পুরো পশ্চিম বঙ্গই বাংলাময়।তাদেরও কি ২১শে ফেব্রুয়ারীর কষ্ট বুকে নেই?নিশ্চয় আছে।বাংলা যদি শুরু থেকেই না থাকতো তাহলে ভিন্ন কথা ছিল।বাংলাতো ছিল!
তবে কেন এতো রক্ত ঝরাতে হলো?এ কীসের নীল নকশা ছিল?আজ রোহিঙ্গা বাংলা ভাষা আর চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় পাকাপোক্ত। এতোগুলো মানুষের মধ্যে কেউ তো বাংলা ছাড়েনি!ওরাও কি তখন ইংরেজী বা উর্দু ছেড়েছিল?তাহলে বাঙালির প্রতি এই বৈষম্য শুধু ভাষার জন্যই নয়।এটি একটি চক্রান্তের অংশ ছিল কেবলই।পাকিস্তানিরা চেয়েছিল বাঙালি একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাক ঠিক মায়ানমার থেকে উৎখাতিত রোহিঙ্গার মতো।পারেনি কারণ বাঙালি আর যাই হোক মাতৃভূমিকে মনে প্রাণে ভালোবাসে।আর যারা এখনো ভালোবাসে না, কেবল ফায়দা লুটেরা তারা ভুলের সাগরে বাস করছে।একদিন দেশই তাদের সাজা দেবে নিশ্চিত।মা,মাটির আর ভাষার সাথে মিশে গেছে যে জাতি, সে জাতি নিশ্চয়  একুশের মতোই এই একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।ইংরেজি ভাষা হয়তো অদূর ভবিষ্যতে  কার্যত আকর্ষণ হারাবে আর বাংলা ভাষার শ্রুতি মধুরতা সকলের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।বিশ্বের সর্বভাষার প্রধানতম ভাষা হবে বাংলা,ইংরেজী নয়।রক্ত দিয়ে যে ভাষা প্রতিষ্ঠিত তার মূল্য একসময় পুরো বিশ্বকেই দিতে হবে।আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটিই ভাষা থাকবে তা আমার আপনার বাহান্নের একুশে ফেব্রুয়ারীর রক্তঝরা ভাষা,বাংলা ভাষা।
সময় ঘনিয়ে এসেছে,উঠবে নতুন সূর্য।তিলোত্তমার তমসা কেটে অতি পুরাতন প্রত্নতত্ত্বও সামনের প্রজন্ম গর্ব ভরে বাংলাকে নতজানু হয়ে সম্মান ও শ্রদ্ধায় তুঙ্গে স্থান দেবে।আর সেই আলোকেই আমাদের এখন থেকেই কাজ করে যেতে হবে।ঘটনার আড়ালের ঘটনা আর রটনা সব তথ্য উপাত্ত ডকুমেন্টস রেডি করে বিশ্বকে দেখাতে হবে।মানুষ বোকা নয়, বুঝবে একটি সংখ্যালঘু বাঙালি জাতি কীভাবে তাঁদের ভাষার জন্য জীবন দিতে পারে। বিশ্বের এমন আশ্চর্য ভাষা আর নেই!কোন রক্তের অবদান নেই!একমাত্র  নিজের ভাষায় কথা বলার জন্য সংগ্রাম করতে হয়েছে বাঙালিকে।মনে রাখতে হবে আমরা নুইয়ে পড়া জাতি কখনোই ছিলাম না।আর সামনের দিনগুলোতে বাংলা ভাষার রূপ-রস আর মাধুর্য গুণে বিশ্বের নম্বর ওয়ান ভাষা,সার্বজনীন ভাষা করার দাবীতে আমাদের আন্তরিক ও যৌক্তিক  কাউন্সিলিং চালাতে হবে।তবেই ভাষা শহীদের যথাযথ মর্যাদা দেয়া সম্ভবপর হবে।একুশ নামক সংখ্যাটি ধনুকের তীরের চেয়েও উজ্জ্বল হয়ে লক্ষ্য ভেদ করে বাংলা ভাষার মুক্তা মানিক্য সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেবে।বিশ্বময় জাগ্রত অনির্বাণ শিখা হোক আমাদের মায়ের মুখের ভাষা,সালাম,রফিক, জব্বার ও বরকতের মতো ভাষা শহীদের রক্তমাখা মায়াময় আ মরি বাংলা ভাষা।
পারভীন আকতার
শিক্ষক,  কবি ও প্রাবন্ধিক।
চট্টগ্রাম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত