1. adnanfahim069@gmail.com : Adnan Fahim : Adnan Fahim
  2. admin@banglarkota.com : banglarkota.com :
  3. kobitasongkolon178@gmail.com : Liton S.p : Liton S.p
  4. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ হোসেন : মোঃ মিরাজ হোসেন
  5. ridoyahmednews@gmail.com : Ridoy Khan : Ridoy Khan
  6. irsajib098@gmail.com : Md sojib Hossain : Md sojib Hossain
  7. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ১১:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ

আপনার লেখা গল্প,কবিতা,উপন্যাস, ছড়া গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন। সাগরিকা প্রকাশনী ০১৭৩১৫৬৪১৬৪৷ কিছু সহজ শর্তে আমরা আপনার পান্ডুলিপি প্রকাশের দায়িত্ব নিচ্ছি।

কবিতাঃ মা আমার কবিঃ  ফিরোজ আহমেদ সুজা।বাংলার কথা অনলাইন।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

মা আমার

ফিরোজ আহমেদ সুজা

—————
মায়ের হাতেই হাতে খড়ি
মায়ে কাছে পড়া শিখি
মা যে ছিলেন বিদ্যাবতী
মাকে, ভূমিষ্ঠের পরে মা ডাকি।
মা, আমার জন্মের পরেই মা হলেন,
সকল মা সন্তান প্রসবের পরে মা হন
হ্যাঁ,নয় মাস দশদিন পর জন্ম দেন
বাবার শুক্রাণু ডিম্বানুতে প্রবেশ অন্তেই
হৃদয়ের জন্ম,হৃদপিণ্ড করে রক্ত সঞ্চালন
দীর্ঘ ক্রিয়া প্রক্রিয়ায় আমার রূপে আসি।
মায়ের উদরে ন’মাস লালিত হই
মা যে বড়ই কষ্টেই থাকেন এই সময়ে।
প্রসবান্তে দায়িত্ব বাড়ে আমায় লালনে,
সামলান মা,ঝড় ঝাপটা সকল আঘাতে
নিজে না খেয়ে খাবার তুলে দেন আমার মুখে
আমি খেলেই ঘুমান রাতে প্রশান্তিতে।
ভোরের সূর্য ওঠার আগে জাগে মা,ছোটে হেঁসেলে,
সকালের নাস্তা হলেই মা হাসে প্রশান্তিতে,
পড়তে বসার তাগিদ দেন আমায় ডেকে,
দুষ্টুমি করে যখন পালাই চুরি করে খেলার মাঠে !
খুঁজতে খুঁজতে পা বাড়ায় কঞ্চি হাতে একটু রেগে,
ঐযে তোর মা আসছেন তোরই খোঁজে ,
তাকিয়ে দেখি মা গম্ভীর মুখে কঞ্চি হাতে।
আমি পালাই বাঁঁকা পথে বাড়ির দিকে
আবারও আমি পড়তে বসি,অঙ্ক কশি স্লেট
পেন্সিলে।
এমনি করেই মায়ের আদর মাখা শাসন দিয়ে
প্রথম স্মাক্ষর জ্ঞানের আলোয় ভরিয়ে তোলে
আমারি সেই ছোট্টো কালের কচি মনে।
এখন আমি বড়ই বিদ্যান, বড় চাকুরী,
বড় ব্যাবসায়ী, ঘুরছি আমি দেশ বিদেশে,
চড়ছি কারে,উড়ছি এয়ারোপ্লেনে,
দু’হাতে ছিটাই পয়সা, উড়াই দু’হাতে,
কুঁড়েঘরে বৃদ্ধ মা বাবা যে আমার আছেই পড়ে।

কেমন আছেন জিজ্ঞাসিলে মা বলেন,
খুটখুটিয়ে কাশি, ঘুশঘুশি জ্বর আছেই লেগে
চিকিৎসার পয়সা নাই,খাওয়া নেই পেট পুরিয়ে
খেয়েছিলাম ইলিশ মাছের পেটি, সে কোন জনমে
খেয়েছি মাংস! নেই মনে নেই, সেই কোথায় কবে !
পাব কোথায়, কে দেবে খেতে।
শাক পাতা যা পাই, তাই খাই
ধরেছে জ্বরা, বাত বাসলি,
চলাফেরা করতে নারি,
বুড়ো বুড়ী যা পারি তাই করি,
এইভাবে যাব একদিন চলি
সবার চোখের অলক্ষে,
একদিন বিদায় নেব এই অকৃতজ্ঞ ধরা হতে।
কেন ছেলে মেয়েরা দেয় না?
ওরা পাবে কোথায় কোত্থেকে !
ওদেরই তো চলে না !!!
ওদের ছেলে সন্তান আছে না !!
মা বাবা একটু হেঁসে বলেন
আমরা বুড়ো বুড়ী ওদের বোঝা হই কেমন করে !!!!!
১৮/২/২১
ফিরোজ আহমেদ সুজা


মায়ের হাতেই হাতে খড়ি
মায়ে কাছে পড়া শিখি
মা যে ছিলেন বিদ্যাবতী
মাকে, ভূমিষ্ঠের পরে মা ডাকি।
মা, আমার জন্মের পরেই মা হলেন,
সকল মা সন্তান প্রসবের পরে মা হন
হ্যাঁ,নয় মাস দশদিন পর জন্ম দেন
বাবার শুক্রাণু ডিম্বানুতে প্রবেশ অন্তেই
হৃদয়ের জন্ম,হৃদপিণ্ড করে রক্ত সঞ্চালন
দীর্ঘ ক্রিয়া প্রক্রিয়ায় আমার রূপে আসি।
মায়ের উদরে ন’মাস লালিত হই
মা যে বড়ই কষ্টেই থাকেন এই সময়ে।
প্রসবান্তে দায়িত্ব বাড়ে আমায় লালনে,
সামলান মা,ঝড় ঝাপটা সকল আঘাতে
নিজে না খেয়ে খাবার তুলে দেন আমার মুখে
আমি খেলেই ঘুমান রাতে প্রশান্তিতে।
ভোরের সূর্য ওঠার আগে জাগে মা,ছোটে হেঁসেলে,
সকালের নাস্তা হলেই মা হাসে প্রশান্তিতে,
পড়তে বসার তাগিদ দেন আমায় ডেকে,
দুষ্টুমি করে যখন পালাই চুরি করে খেলার মাঠে !
খুঁজতে খুঁজতে পা বাড়ায় কঞ্চি হাতে একটু রেগে,
ঐযে তোর মা আসছেন তোরই খোঁজে ,
তাকিয়ে দেখি মা গম্ভীর মুখে কঞ্চি হাতে।
আমি পালাই বাঁঁকা পথে বাড়ির দিকে
আবারও আমি পড়তে বসি,অঙ্ক কশি স্লেট
পেন্সিলে।
এমনি করেই মায়ের আদর মাখা শাসন দিয়ে
প্রথম স্মাক্ষর জ্ঞানের আলোয় ভরিয়ে তোলে
আমারি সেই ছোট্টো কালের কচি মনে।
এখন আমি বড়ই বিদ্যান, বড় চাকুরী,
বড় ব্যাবসায়ী, ঘুরছি আমি দেশ বিদেশে,
চড়ছি কারে,উড়ছি এয়ারোপ্লেনে,
দু’হাতে ছিটাই পয়সা, উড়াই দু’হাতে,
কুঁড়েঘরে বৃদ্ধ মা বাবা যে আমার আছেই পড়ে।

কেমন আছেন জিজ্ঞাসিলে মা বলেন,
খুটখুটিয়ে কাশি, ঘুশঘুশি জ্বর আছেই লেগে
চিকিৎসার পয়সা নাই,খাওয়া নেই পেট পুরিয়ে
খেয়েছিলাম ইলিশ মাছের পেটি, সে কোন জনমে
খেয়েছি মাংস! নেই মনে নেই, সেই কোথায় কবে !
পাব কোথায়, কে দেবে খেতে।
শাক পাতা যা পাই, তাই খাই
ধরেছে জ্বরা, বাত বাসলি,
চলাফেরা করতে নারি,
বুড়ো বুড়ী যা পারি তাই করি,
এইভাবে যাব একদিন চলি
সবার চোখের অলক্ষে,
একদিন বিদায় নেব এই অকৃতজ্ঞ ধরা হতে।
কেন ছেলে মেয়েরা দেয় না?
ওরা পাবে কোথায় কোত্থেকে !
ওদেরই তো চলে না !!!
ওদের ছেলে সন্তান আছে না !!
মা বাবা একটু হেঁসে বলেন
আমরা বুড়ো বুড়ী ওদের বোঝা হই কেমন করে !!!!!
১৮/২/২১
ফিরোজ আহমেদ সুজা

সংবাদটি শেয়ার করুন

One thought on "কবিতাঃ মা আমার কবিঃ  ফিরোজ আহমেদ সুজা।বাংলার কথা অনলাইন।"

  1. ফিরোজ আহমেদ সুজা says:

    দৈনিক বাংলার কথা অনলাইন পত্রিকাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই আপনাদের, আমার এই নগন্য কাব্য চরচার সহায়ক হিসাবে, কবিতাটি গ্রহণ করে এবং ছাপিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী ও বই বিপণি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত