1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
গল্প: বিবর্ণ বাসরে বৈশাখী বসন্ত: (তৃতীয়) এস আকরাম হোসেন***বাংলার কথা অনলাইন। - Banglar Kota
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

গল্প: বিবর্ণ বাসরে বৈশাখী বসন্ত: (তৃতীয়) এস আকরাম হোসেন***বাংলার কথা অনলাইন।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

গল্প: বিবর্ণ বাসরে বৈশাখী বসন্ত:
(তৃতীয়)
এস আকরাম হোসেন***
মাহবুব তালুকদার সাহেবের বিশাল বাড়িটা সবসময় লোকজনে পরিপূর্ণ থাকে। তাঁর ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত পার্টনার থেকে শুরু করে গ্রামের আত্মীয়-স্বজনেরা আশা যাওয়া সবসময় করতেই থাকে।
আজ তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন ও ব্যবসায়ী কয়েকজন বন্ধুদেরকে বাড়িতে দাওয়াত করে এনেছেন বিশেষ কারনে। সবার ভুরিভোজের শেষে তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ” আজ আমি আপনাদেরকে আমার বাড়িতে দাওয়াত করে এনেছি বিশেষ একটি কারনে। আর সে কারনটি হ’ল আমার বড় মেয়ে সানজিদা শারমিন শিখার বিয়ের ব্যাপার নিয়ে।
আপনারা জানেন, আমার একটি ছেলে আছে। আমি তাকে ছোটবেলা থেকে নিজের সন্তানের মত করে মানুষ করেছি। আমার গ্রাম্য দুরসম্পর্কের আত্মীয়ের ছেলে শাহরিয়ার বুলবুল শুভ। তার সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন আপনারা বলুন আমার এ সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হয়েছে কিনা?”
তালুকদার সাহেবের অত্যন্ত কাছের বন্ধু রায়হান খান অবাক ও বিস্মিত কন্ঠে বলেন, “একি বলছ তালুকদার? তুমি দেশের একজন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী। তোমার কন্যার জন্য কত রাজপুত্র বরণমালা নিয়ে অপেক্ষা করছে। আর তুমি কিনা পথের কোন ভিখারীনির ছেলের সাথে মেয়েকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছো! তোমার এহীন সিদ্ধান্তকে আমি মেনে নিতে পারলামনা বন্ধু। আমার একমাত্র ছেলেকে আমি বিদেশ থেকে লেখাপড়া শিখিয়েছি ; তোমার মেয়ের উপযুক্ত করে। আর তুমি কিনা সামান্য একটা—–ছি ছি ছি!”
আরেকজন বন্ধু বলেন,”তুমি এতবড় দামি একজন মানুষ হয়ে নিজের মেয়েকে শেষমেশ সাগরে ভাসিয়ে দিতে যাচ্ছো! না না তালুকদার সাহেব, এটা কিছুতেই আমরা মেনে নিতে পারবোনা।”
এভাবে বিরুপ মন্তব্য করতে করতে সবাই তালুকদার সাহেবের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তিনি কাউকে বাঁধা দেননা। চিন্তার রেখা ফুটে ওঠে তাঁর কপালের ভাঁজে। তিনি তাঁর চেয়ারটিতে বসে পড়েন। ততক্ষনে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েরা তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়েছে।
(চলবে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব