1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
প্রবন্ধ: "সালাম ইসলামের সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ অভিবাদন" -মোঃ সাকিবুর রহমান।বাংলার কথা অনলাইন। - Banglar Kota
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

প্রবন্ধ: “সালাম ইসলামের সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ অভিবাদন” -মোঃ সাকিবুর রহমান।বাংলার কথা অনলাইন।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

***বর্ণপ্রপাত হেমন্ত সংখ্যা ১৪২৭***

প্রবন্ধ: “সালাম ইসলামের সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ অভিবাদন”
-মোঃ সাকিবুর রহমান

ইসলামী শরীয়তে পারষ্পরিক সম্পর্ক, ভালোবাসা, ইমানী চেতনা সুদৃঢ় করার জন্য সালামকে সুন্নাত হিসেবে প্রণয়ন করা হয়েছে। ইসলামী সংস্কৃতির এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হযরত আদম (আ.) এর যুগ হতে প্রচলিত হয়ে আসছে। পরবর্তী সময়ে সোনালী নবুয়তের উজ্জ্বল যিন্দেগীতে রাসূল (সা.) সকলকে সালাম প্রদানের নির্দেশ দেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কর্তৃক মনোনীত জীবনবিধান দ্বীন ইসলাম বিশ্ব মানবতার শান্তির জন্য সালামের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন, “আর যদি তোমাদেরকে কেউ সালাম দেয় তাহলে তোমরাও তাঁর চেয়ে উত্তম সালাম প্রদান করো অথবা তার মতো করে ফিরিয়ে বলো, নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে হিসাব গ্রহণকারী”। (আল -কুরআন)

পৃথিবীতে সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকে শুরু করে দেখা হলে প্রতিটি জাতি একে অপরকে বিভিন্ন বাক্য আলাপের মাধ্যমে ভালোবাসা, সম্প্রীতি, অভিবাদন প্রকাশ করে। কিন্তু গবেষনা এবং তুলনা করলে দেখা যায় যে, ইসলামে সালাম যতটুকু ব্যাপক অর্থবোধক অন্য কোন অভিবাদন তেমন নয়। ইসলামে সালামের মাধ্যমে একে অপরের মাঝে দোয়া করা হয়।

অভিধানে সালাম শব্দটির একাধিক অর্থ পাওয়া যায়। যেমন-
১। শান্তি ও নিরাপত্তা বিধান করা।
২। স্বাগতম জানানো।
৩। অভিবাদন জানানো।
৪। আনুগত্য প্রকাশ করা।
৫। শুভেচ্ছা জানানো।
৬। সম্ভাষণ জানানো ইত্যাদি।

পরিভাষায়, মুসলমানদের পরষ্পর সাক্ষাতে আসসালামু আলাইকুম বলে দোয়া কামনা, নিরাপত্তা দান ও কুশল বিনিময় করাকে সালাম বলা হয়।

পৃথিবীতে প্রতিটি জাতি দেখা সাক্ষাতে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। ঠিক তেমনি ইসলামে তা হলো সালাম। যদি কেউ সালাম দেয় আসসালামু আলাইকুম (আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) বলে, তাহলে জবাবে একটি শব্দ বাড়িয়ে বলা সুন্নাত। যেমন- সালামের জবাবে ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়ারাহমাতুল্লাহ (আপনার ওপর শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) বলা। সালামের মাধ্যমে এক মুসলমান অপর মুসলমানের জন্য দোয়া করে।

সালাম সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ অভিবাদন। ইংরেজ জাতিরা একে অপরের সাথে দেখা হলে Good Morning, Good Evening, Good Night, Good Day ইত্যাদি বলে। আরব জাতিরা সাবাখাল খাইর, সাবাখান নুউর, মাসায়াল খাইর, মাসায়ান নুউর ইত্যাদি বলে অভিবাদন জানায়। যা ইসলাম মোটেও সমর্থন করে না। ইসলাম সালামকে সমর্থন করে। যারা খাঁটি বাংলা প্রেমিক তারা একে অপরের সাথে দেখা হলে শুভ সকাল, শুভ বিকাল, শুভ রাত্রি ইত্যাদি বলে অভিবাদন জানায়। অন্যান্য জাতিরা ঠিক তেমনি তাদের নিজস্ব ভাষায় অভিবাদন জানায়। এখন যদি সকাল বেলা আপনার কোন বিপদ হয় বা আপনার মা-বাবা অথবা আপনার কোন নিকট আত্মীয় মারা যায় তখন আপনার সামনে এসে যদি কেউ আপনাকে Good Morning বা সুপ্রভাত বলে অথবা শুভ সকাল বলে অভিবাদন জানায় তাহলে অবশ্যয় আপনার থেকে আরো বেশি খারাপ লাগবে। এরকম খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক।কিন্তু সেই জায়গায় যদি কেউ আপনাকে আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু (আপনার ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বর্ষিত হোক) বলে অভিবাদন জানায়, তাহলে আপনার থেকে অবশ্যয় একটু হলেও ভালো লাগবে। তখন আপনি একটি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সাহস পাবেন। যেটি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না।

সালাম ইসলামের নিদর্শন। সমস্ত ওলামায়ে কেরামের ইজমা হলো যে, সালাম দেয়া সুন্নাত এবং জবাব দেয়া ওয়াজিব। যদি কোন গাইরে মুসলিম সালাম দেয় তাহলে জবাবে ওয়ালাইকুম বলতে হবে। যদি মুসলিম আর গাইরে মুসলিম এক সাথে থাকে তাহলে আসসালামু আলা মানিততাবায়াল হুদা বলে সালাম দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, নামাজ, পানাহার, মলমূত্র, কুরআন তেলাওয়াত এবং ইবাদতে মশগুল ব্যক্তিকে সালাম দেয়া মাকরূহ। আর গাইরে মুসলিমকে সালাম দেয়া হারাম। ইসলামী শরীয়তে সালাম একটি মৌলিক বিষয়। যা সমাজের মানুষকে আদব, শিষ্টাচারিতা, নম্রতা, ভদ্রতা ইত্যাদি শিক্ষা দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব