1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
গল্প: বিবর্ণ বাসরে বৈশাখী বসন্ত****** এস আকরাম হোসেন (২য় পর্ব)।বাংলার কথা অনলাইন। - Banglar Kota
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

গল্প: বিবর্ণ বাসরে বৈশাখী বসন্ত****** এস আকরাম হোসেন (২য় পর্ব)।বাংলার কথা অনলাইন।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

গল্প: বিবর্ণ বাসরে বৈশাখী বসন্ত******
এস আকরাম হোসেন
(২য় পর্ব)
# শুভ তার শান্ত দু’টি চোখ মেলে শিখাকে বলে, ” আমি কি তোমাকে বসতে বলতে পারি?”
শিখা চোখে-মুখে রাগ আর বিরক্ত এনে বলে,”আমি বসতে আসিনি। এসেছি তোমাকে কয়েকটি কথা বলতে। আচ্ছা শুভ ভাই, তুমি আমাকে ভালবাসো?” কোন ভনিতা না করেই সরাসরি প্রশ্ন করে শিখা।
শুভ’র হাতের পাতাখোলা ডায়রীটা বন্ধ করে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ায়। মৃদুকন্ঠে সে খোলা জানালার দিকে তাকিয়ে বলে, “তুমি কি এই অবান্তর প্রশ্ন করতেই এসেছো না অন্য কোন কারনে——–?”
“আমি কিন্তু কোন আবেগের বশীভূত হয়ে আসিনি এখানে। আমার জীবন-মরন প্রশ্ন নিয়ে তোমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছি।”
“দেখ শিখা, আমি দার্শনিক নই যে তোমার জীবনের সমাধান দেব। আবার ডাক্তারও নই যে তোমার রোগমুক্ত করে নতুন জীবন ফিরিয়ে দেব। আমি একটা অসহায় এতিম ছেলে। তোমাদের গলগ্রহে মানুষ হয়েছি। তোমাদের আশ্রয়ে আজ——-।”
“রাখ তোমার প্রগলভতা। তোমার মধ্যে দেখছি অনেক কৃতজ্ঞতাবোধ। সেই কৃতজ্ঞতার বদৌলতে আমার একটু উপকার তোমাকে করতে হবে।”
শান্ত ও মৃদুকন্ঠে শুভ বলে,” আমার জীবন তোমাদের জন্য উৎস্বর্গ হোক। বল, তোমার কি উপকার আমি করতে পারি?”
“বাবা তোমার সাথে আমাকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তুমি এ বিয়েতে মত দেবেনা। কিছুতেই বাবার কথায় রাজী হবেনা।”
মধুর হাসি হেসে শুভ বলে, ” কিযে বল শিখা, একজন আশ্রিত মানুষ আমি। তাও আবার তোমাদেরই পরিবারের। চাচাজানের অবাধ্য হওয়া মানে আমাকে চরম ধৃষ্টতার পরিচয় দেওয়া। আর তোমার আদেশ উপেক্ষা করা মানে অগ্নিকুণ্ডে——–।”
“থাক থাক, আমি অতসব বুঝিনা। এ বিয়ে তোমাকেই ভাংতে হবে। নইলে আমি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হব। আর এর জন্য দায়ি হবে তুমি, তুমি, তুমি——-!”
শিখার কন্ঠরোধ হয়ে আসে। ওড়নার আঁচলে চোখ মুছতে মুছতে দ্রুত সে শুভ’র ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।
শুভ অস্ফুট কন্ঠে শুধু বলে,” শিখা!” তারপর সে নিষ্পলক তাকিয়ে থাকে খোলা দরজার দিকে।
( চলবে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব