1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
মনে পড়ে তোমাকে।বাংলার কথা অনলাইন। - Banglar Kota
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

মনে পড়ে তোমাকে।বাংলার কথা অনলাইন।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

সাবিনা ইয়াসমিন

তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে নীল শাড়ী নীল চুড়ি তে । ওহ পরিচয় তো দেওয়া হয়নি। আমি পিয়াস আর ও হলো প্রিয়া। আজ আমাদের প্রথম দেখা। আমাদের পরিচয় হলো রং নাম্বারে।প্রিয়ার কন্ঠ আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিলো। সে দিন থেকে টুক টাক কথা বলা শুরু করলাম প্রিয়ার সাথে। আস্তে আস্তে এমন হয়েছিল প্রিয়ার সাথে কথা না বললে মন ছট ফট করত। শুধু আমার না প্রিয়ার ও। প্রিয়া তখন মেডিকেলে ভর্তির জন্য ঢাকাতে কোচিং করতো। আর আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলাম। দু ‘জন ঢাকা থাকাতেই সহজেই দেখা করার সুযোগ পেলাম। আমার ইচ্ছাতে ও সেজে এসেছে। বাহ চমৎকার মেয়ে প্রিয়া। দেখে তো চোখ ফেরানো যায় না। এর পর থেকে আমাদের কথা বলা আর দেখা হয় প্রতিদিন। প্রিয়াকে ছাড়া আমি কিছুই বুঝতাম না।শুধু আমি না প্রিয়া ও আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসতো। একদিন আমার জ্বর এসেছিলো প্রিয়া সেদিন পাগলের মতো ছুটে আসে আমার হোস্টেলে। এসে আমাকে নিয়ে ডাঃ এর কাছে গিয়ে ঔষধ এনে। আমাকে খাওয়িয়ে সারা দিন আমাকে সেবা করে সন্ধ্যায় ওর হোস্টেলে যায়। আবার সকালেই সে আমার হোস্টেলে চলে আসে। এই ভাবে আমাদের ভালোবাসা আর ও গভীর হতে থাকে। আস্তে আস্তে দুই জনের পরিবার ও জেনে যায় আমাদের ভালোবাসার কথা। প্রথমে কোন পরিবার রাজি ছিলো না। পরে আমাদের ভালোবাসার জোর দেখে রাজি হতে বাধ্য হয়েছে। আমাদের ইচ্ছে ছিলো পড়া লিখা শেষ হওয়ার পর দুই জন নিজের পায়ে দাড়িয়ে বিয়ে করবো। একদিন আমি আর প্রিয়া ভার্সিটির ক্যাম্পসে দাড়িয়ে কথা বলছি।হঠাৎ প্রিয়া মাথা ঘুরে পরে যায়।সাথে সাথে হাসপাতালে নিয়ে যায়।হাসপাতালে পরিক্ষা করে দেখা গেল প্রিয়ার মাথায় টিউমার। প্রিয়া কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ওর হোস্টেলে ওকে দিয়ে আসলাম।প্রিয়াকে জানায়নি ওর মাথায় টিউমারের কথা।আমি রুমে এসে ফ্রেস হয়ে ওর বাসায় ফোন দিয়ে জানালাম টিউমারের কথা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অপারেশন করতে হবে।ওর বাসার সবাই টেনশানে পরে গেল। আরেকদিন ওর হোস্টেল থেকে ফোন আসছে ও নাকি মাথা ঘুরে পরে যায়। আমি পাগলের মতো ছুটে গিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। আর ওর বাড়িতে ফোন দিলাম। বাড়ির লোকএসে অপারেশান এর ব্যাবস্থা করে। অপারেশ থিয়েটারে প্রিয়াকে নেওয়া হলো। কিছুক্ষন পর ডাক্তার এসে জানায় প্রিয়া আর নেয়।আমি নির্বাক হয়ে গেলাম। প্রিয়াকে ছাড়া বাকিটা পথ কি ভাবে চলবো।প্রিয়া নেই অনেক বছর হয়ে গেলো। আমি আজও ভুলতে পারিনি প্রিয়ার স্মৃতি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব