1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
টবের আর্তনাদ৷ বাংলার কথা অনলাইন। - Banglar Kota
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

টবের আর্তনাদ৷ বাংলার কথা অনলাইন।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

এস,এ,জাবেদ

আমার মায়ের নাম হোপন, তার বীজ থেকেই আমার জন্ম। তার থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রথমে আমাদেরকে রোদে শুকাতে দিল।কি কড়া রোদ গা যেন পুড়ে যাচ্ছে। সারাদিন শুকিয়ে আমাদেরকে প্যাকেটে ভরে, একদিন বাজারে নিয়ে গেলেন এক ব্যাবসায়ী। বাজার থেকে আমাদেরকে নিয়ে যায় এক নার্সারিতে, সেখানে নিয়ে প্রথমে পানি দিয়ে কিছুক্ষনে জন্য ভিজিয়ে রাখলেন। তারপর মাটির ব্যাগে আমাদেরকে রোপণ করলেন।এই যেন প্রাণ ফিরে পেলাম।ভালোই যাচ্ছে দিনকাল।সকাল বিকেলে পানি দিতেন, আহা কি আনন্দ। আমাদের বয়স যখন দুই মাস তখন মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে শুরু হয় উপজেলা পরিষদের কতৃক বৃক্ষ মেলা।
আমাদেরকে বিক্রির জন্য সেখানে একটা স্টলে তোলা হয়।এখানে আমাদেরকে আনায় অনেক গাছের সাথে দেখা হল। আম গাছ,জাম গাছ,লেবু গাছ,পেয়ারা গাছ,আরো কতো কি। মেলাতে অনেক মানুষ আসাযাওয়া করে। কেউ কেউ গাছের চারা কিনছেন কেউ কেউ কিনে বাড়ির পথে পা বাড়ালেন,আবার কেউ কেউ চারা গাছের পাশ্বে দাঁড়িয়ে পিক তুলছেন । সেই কি এক খুশির মুহূর্ত।
মেলা শেষ দিনও আমাদেরকে কেউ কিনলো না। নার্সারিতে ফেরার ঠিক আগেই ‌মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের স্কুল শাখার সপ্তম শ্রেণীর খ শাখার কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রী এসে আমাদের কিনে নেয়।
আমাদেরকে নিয়ে তারা টব হিসেবে ব্যবহার করবে বলে তারা তাদের ক্লাসের সামনে ও বিভিন্ন স্থানে রেখে দেয়। আমাদেরকে তাদের ক্লাসের সামনে রাখায় তাদের ক্লাস দেখতে খুবি সুন্দর লাগছে, কয়েক দিন আমদেরকে খুবই ভাল পরিচর্যা করছে, গোড়ার মাটি শুকিয়ে গেলে তাতে পানি দেওয়া,গোড়ায় জমে থাকা ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করা ইত্যাদি, সে দিন গুলো ভালোই লাগলো।
কিন্ত দিন গড়াতেই আমদের কষ্টের আর শেষ হইলো না।
আমাদের খাদ্য আমারই সালোকসংস্লেশনের মধ্যমে তৈরি করি। খাদ্য তৈরি করতে প্রয়োজন গোড়ায় পানি ও সূর্যের আলো। টবেওছাদের নিচে থাকায় আলো ঠিকভাবে পাই না। আর গোড়ায় বা টবে কেউ পানি দেয় না, তাই খুবই কষ্টে বেঁচে আছি। কখন জানি মারা যাই আল্লাই ভালো জানেন। এইতো সেদিন স্কুলের অফিস সহায়ক জাবেদ চা তৈরি করতে পানি নিয়ে আসার পথে আমার গোড়ায় একটু পানি দেয়। কতোযে ভালো লাগলো সেটা বুঝানো সম্ভব নয়।আর কবে যত্ন নিবে আল্লাই যানে। পরিশেষে সবাইকে একটা কথা বলতে চাই। আমাদের সহ সকল গাছের যত্ন নিন। তবেই সুন্দর ও সুস্থ একটা পরিবেশ তৈরি হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব