1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
বাগেরহাটে ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন। রিপোর্টার মোঃ মিরাজ হোসেন।দৈনিক বাংলার কথা। - Banglar Kota
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:০১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

বাগেরহাটে ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন। রিপোর্টার মোঃ মিরাজ হোসেন।দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটে ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন। রিপোর্টার মোঃ মিরাজ হোসেন।দৈনিক বাংলার কথা।

বাগেরহাটের শরণখোলায় পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অপরাধে, উত্তর খোন্তা কাটা রাশেদিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সুপার, ইলিয়াস হোসেন জোমাদ্দার কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে ২০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, মোঃ নুরে আলম এ আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায় ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট পঞ্চম শ্রেণীর চার ছাত্রী মাদ্রাসা সুপারের কাছে আরবি শিক্ষা নিতে আসে। সেখান থেকে তিনজনকে তাড়াতাড়ি বাড়ি পাঠিয়ে দেন সুপার ইলিয়াস জোমাদ্দার। পরে ওই শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার লাইব্রেরীতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তিনি উক্ত শিক্ষার্থীকে মা-বাবার কাছে বিষয়টি না জানানোর জন্য ভয় দেখায়। এরপরে শিশুটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে, উক্ত সুপার মেয়েটির বাড়ি গিয়ে শিশুটি সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে বলে জানায়। এসময় তিনি ঝাড়ফুঁক ও পানি পড়া দেন।এতে করে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে তার পরামর্শ মতো একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এসময় চিকিৎসকরা রক্তক্ষরণের অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে বলে শিশুটির পরিবারকে পরামর্শ দেন। পরে ১৯ আগস্ট রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে উক্ত সুপারের নামে শরণখোলা থানায় একটি মামলা করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন।।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব