1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
অবহেলা - Banglar Kota
রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

অবহেলা

গাজী ওসমান
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

অবহেলা
গাজী ওসমান

খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ময়না ও নীরবের ভালোবাসা গভীরতা লাভ করে।নীরব প্রথমে ময়নাকে তেমন একটা পছন্দ করতো না,বা ভালোবাসতো না।নীরব প্রথম প্রথম ময়নার সাথে টাইম পাস করার মতোই সময় ব্যয় করতো।কিন্তু একটা সময় এভাবে চলতে থাকতে থাকতে নীরব ময়নার ভালোবাসার কাছে হার মেনে যায়, এবং ময়নাকে পাবার আশায় ব্যাকুল হয়ে উঠে।নীরব তার বাসায় বলতে থাকে ময়নাকে আপন করে পাওয়ার কথা,সে ময়নাকে বিয়ে করতে চায়।কিন্তু নীরবের বাসার কেউ ময়নার ব্যাপারে আগ্রহী না।কারন নীরবের মায়ের স্বপ্ন ছেলেকে অনেক বড় ঘরে বিয়ে দিবে তাছাড়া নীরবের বড় দু ভাই ও যার যার মতো ভালোবেসে বিয়ে করে ফেলেছে তাদের পছন্দের মানুষকে।নীরব ভাইদের মধ্যে সবার ছোট তাই তার মায়ের বড় ইচ্ছে ছিলো ছোট ছেলেকে তার ইচ্ছে মতো পছন্দ করে বিয়ে দিবে,কিন্তু নীরবের মায়ের সেই আশা পূর্ণতা পায়নি কারন নীরব তখন ময়নার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। এদিকে ময়নার পরিবারের লোকজন ও ময়নাকে বিয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে। নীরব তার বড় ভাইকে বিষয়টি জানালে নীরবের বড় ভাই ময়নাদের বাড়ি গিয়ে ময়নার মায়ের সাথে কথা বলে এসেছে তারা জেনো মেয়েকে অন্য যায়গায় বিয়ে না দেয়, এভাবে কয়েক মাস চলার পর ময়না ও নীরবের প্রেম আরো গভীর থেকে গভীরে প্রবেশ করতে লাগলো।তখন এমন একটা অবস্থা চলে আসলো যে নীরব ময়নাকে ছাড়া আর ময়না নীরবকে ছাড়া থাকতে পারছিলো না।এদিকে নীরব তার ভাইকে বারবার বলতে লাগলো যে করেই হোক ময়নাকে তাদের বাড়িতে যেনো নিয়ে আসে যত দ্রুত সম্ভব। নীরবের ভাইও তার কথা রাখার জন্য তার পরিবারের লোকদের নানান ভাবে বোজাতে লাগলো। একটা সময় নীরব তার ভাইকে প্রায় প্রতিদিনই ময়নার ব্যাপারে বলতে লাগলো যে করেই হোক তাকে নিয়ে আসতে হবে।অবশেষে কোন উপায়ন্তর না দেখে নীরবের ভাই পরিবারের সকলের অমতে নীরবকে খুশি করতে ময়নাকে আর নীরবকে কাজি অফিসে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দিয়ে দেয়, তারপর ময়না ও নীরব তাদের বাড়িতে চলে আসে।বিয়ের পর কয়েকমাস ময়না ও নীরবের ভালোবাসা ঠিকই চলতে থাকে। কিন্তু এরপর থেকেই নীরবের ময়নার প্রতি কেমন জানি উদাসীনতা চলে আসে। নীরব এখন আর ময়নার প্রতি আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছে না,সে আগে যেমন ময়নাকে খুশি করতে সব কাজ করতো। ময়না যেটা অপছন্দ করতো সেটা থেকে বিরত থাকতো এখন আর তা করেনা।আগে কোন কারনে ময়নার চোখে পানি আসলে নীরবের খুব কষ্ট হতো কিন্তু এখন পরিস্থিতি অন্য রকম, ময়নার প্রতি নীরবের সেই ভালোবাসা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে। এদিকে নীরবের এমন আচারণে ময়না নিজেই নিজেকে বোঝাতে পারছে না,কি করবে সে ময়না এখন প্রতিনিয়ত কেঁদে চোখ দুটো লাল টকটকে করে ফেলছে, ঠিকমতো খাবার দাবার ও খাচ্ছে না।সারাদিন শুধু কান্নাকাটি করে তার দিন কাটছে।আর নীরব সে শুধু ময়নাকে কাঁদিয়েই যাচ্ছে। ময়নার খুব বেশি চাওয়া পাওয়া নাই নীরবের কাছে, ময়না শুধু নীরবের ভালোবাসা চায়, আর চায় কিছুটা সময়।কিন্তু নীরবের এসব ব্যাপারে কোন খেয়ালই নাই। ময়না আজ বেঁচে আছে অবহেলা নামক এক নরকযন্ত্রণা কে সঙ্গী করে।ময়নার প্রতি নীরবের ভালোবাসা আগের মতোই গড়ে উঠুক, স্বার্থকতা লাভ করুক ময়না ও নীরবের ভালেবাসা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব