1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  6. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  7. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
অতীতে গোটা বিশ্ব শাসন করেছে মুসলমান শাসকরা।দৈনিক বাংলার কথা। - Banglar Kota
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

অতীতে গোটা বিশ্ব শাসন করেছে মুসলমান শাসকরা।দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

। মুসলিম নেতা ও যোদ্ধাদের বীরত্বের গল্প যে কাউকে বিস্মিত করবে। সেই সময়কার বীরত্ব, সাহসিকতা ও সংকল্পের গল্পগুলো আজও কিংবদন্তী হয়ে আছে।গত ১৪০০ বছরে গোটা বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অর্জন অনেক, যার স্বীকৃতি পাওয়ার দাবী তাঁরা রাখে। আমাদের বিশ্বাস ইসলামকে যেভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন সেভাবে অনুসরণ করলে মুসলিমরা (এবং সমগ্র বিশ্ব) পুনরায় সেই উন্নতি ও সাফল্যের দেখা পেতে পারে।মুহূর্তেই শক্তিশালী অমুসলিম রাষ্ট্র পদানত হয়ে যেত তাঁদের কাছে। এমনই কয়েকজন বীর যোদ্ধার বীরগাথা নিয়ে আজকে আলোচনা করব!!

মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব

মুঘল সম্রাট হিসেবে আওরঙ্গজেবের শাসনামল বিভিন্ন যুদ্ধের মাধ্যমে সাম্রাজ্যের সীমানা বহুদূর বিস্তার করেন।তাঁর আমলেই ভারত রাষ্ট্রের সীমানা সর্বোচ্চ পরিমাণে বিস্তৃত হয়। পশ্চিম আফগানিস্তানের গজনি থেকে পূর্বে চট্টগ্রাম, উত্তরে কাশ্মীর থেকে দক্ষিণে কর্ণাটক (‌যখন কেরল ওই কর্ণাটকের অন্তর্ভুক্ত ছিল)‌। এত বড় সাম্রাজ্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, সমুদ্রগুপ্ত, হর্ষবর্ধন বা আওরঙ্গজেবের প্রপিতামহ আকবরও করায়ত্ত করতে পারেননি। তার আমলে দক্ষিণাঞ্চলে ৪ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। তিনি ১৫৮ মিলিয়ন প্রজাকে শাসন করতেন।তার সময় মুঘল সাম্রাজ্যের বাৎসরিক করের পরিমাণ ছিল ৪৫০ মিলিয়ন ডলার। যা তার সমসাময়িক চতুর্দশ লুইয়ের আমলে ফ্রান্সের বাৎসরিক কর এর চেয়ে ১০ গুণ বেশি ছিল।তার শাসনামলে ভারত চীনকে ছাড়িয়ে পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠেছিল। যার পরিমাণ ছিল ৯০ বিলিয়ন ডলার, ১৭০০ সালে সমগ্র পৃথিবীর জি ডি পি এর এক চতুর্থাংশ।

আওরঙ্গজেবকে আমিরুল মুমিনিন (বিশ্বাসীদের নেতা) ডাকা হয় এবং উনার শাসন ব্যবস্থা উমর ইবনুল খাত্তাব রাঃ ও সালাহউদ্দিন ইউসুফ ইবনে আইয়ুবের মত বিশিষ্ট খলিফাদের সাথে তুলনা করা হয়।

সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি

মৌর্য সম্রাট অশোকের পর তাঁকেই একমাত্র সম্রাট হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যিনি গোটা হিন্দুস্তানকে এক সুতোয় গাঁথতে পেরেছিলেন। তিনি এত বেশি পরিমাণ শহর আর নগর জয় করেছিলেন যে তাঁকে সিকান্দার সানি বা দ্বিতীয় আলেক্সান্ডার উপাধিও দেওয়া হয়েছিল। সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি মোট ছয়বার ভারতবর্ষকে বর্বর মোঙ্গলপদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করেন। এ জন্য ভারতের বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিকের তার ওপর কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। তাতারদের আক্রমণে তিনি পরাজিত হতেন আজ ভারতের ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হতো, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

খলিফা সুলতান ২য় আব্দুল হামিদ খান

তিনি সমগ্র মুসলিমদের একত্রিত করার জন্য একটি মুসলিম ইউনিয়ন গঠনের প্রচেষ্টা চালান। মুসলিম জাহানের সুখ-দুঃখের সাথি ছিলেন তিনি। সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ যখন খেলাফতের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, তৎকালীন সময়ে অনান্য সম্রাজ্যগুলোর তুলনায় সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় অটোম্যান সাম্রাজ্য ছিলো টালমাটাল অবস্থায়। পশ্চিমা বিশ্বের ষড়যন্ত্র, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দল ও বিশৃঙ্খলা বিশাল সাম্রাজ্য প্রায় গ্রাস করে নিয়েছিল। সুলতান আবদুল হামিদ দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তার অসামান্য শাসনব্যবস্থা ও দক্ষতায় সাম্রাজ্যের অবকাঠামোগত উন্নতি সাধিত হয়। ব্যক্তিগত জীবনে সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ ছিলেন ধর্মপরায়ণ একজন খলিফা। একজন প্রকৃত খলিফার সকল গুণাবলী ছিলো তার। সাম্রাজ্যের বিশৃঙ্খল পরিবেশকে তিনি আস্তে আস্তে পুনরায় স্বাভাবিক করে তোলেন।তাছাড়া তার বিশেষ প্রচেষ্টায় ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি আইন, প্রকৌশল, ব্যবসায়, কৃষি ইত্যাদি বহুমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটান। টেলিগ্রাম ও রেলপথের অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করেন। এ ছাড়া সাম্রাজ্যের সবজায়গায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও সামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দিকেও তিনি বিশেষ মনোযোগী ছিলেন। ইস্তাম্বুলো দারুল ফুনুন নামে একটি উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন, পরবর্তী সময়ে যা ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় নামে পৃথিবীজোড়া খ্যাতি অর্জন করে। মক্কা শহরকে বন্যা থেকে রক্ষার জন্য আধুনিক পানি সঞ্চালন পদ্ধতিও তার অবদান।হেজাজ রেলওয়ে চালু করেন যেটা ইস্তাম্বুল, ফিলিস্তিন ও মদিনা শহরকে সংযুক্ত করে।

১৯০৯ সালে খলিফাকে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্বাসনে পাঠায় এবং তার ছোট ভাই পঞ্চম মুহাম্মদ কে ক্ষমতায় বসায়। আর এরমধ্য দিয়েই মূলত হাজার বছরের খেলাফত ব্যবস্থা বিলুপ্তির দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল।

সুলতান রুকনুদ্দীন বাইবার্স

মামলুক সুলতান বাইবার্সকে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি স্বরণ করা হয় একজন ক্ষমতাধর শাসক হিসেবে। সেই পরিচয় ছাপিয়ে তিনি তামাম দুনিয়ার সেনাপতিদের আইডল হয়ে আছেন রণক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের গুণাবলির কারণে। তার কূটনৈতিক কৌশল ছিল সেই সময়ে অন্য সবার চেয়ে আলাদা।আইন জালুতের যুদ্ধ কেবল মিসর ও ইসলামের ইতিহাসে নয়,বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা। যদি ধ্বংসাত্মক মোঙ্গল শক্তি এ যুদ্ধে জয় লাভ করতো,তাহলে তারা উত্তর আফ্রিকা,স্পেন এবং ইউরোপের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে যুগপৎ প্রাচ্য ও প্রতিচ্যের ইসলামি ও খৃস্টীয় সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিতো। তাই আইন জালুতের যুদ্ধে একই সঙ্গে ইসলাম ও বিশ্বসভ্যতা রক্ষা পায়

সুলতান উসমান গাজী

উসমানের দক্ষ নেতৃত্বে এই যোদ্ধারা জীবন বাজি রাখে।মঙ্গলরা পশ্চিম দিকে রাজ্য বিস্তার করতে শুরু করলে মুসলিমরা উসমানের রাজ্যে আশ্রয় নেয়। উসমান গাজীর দূরদর্শিতা ও রণকৌশলের ফলে মুসলমানরা সামরিকভাবে ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।উসমান গাজীর গড়েতুলা সম্রাজ্য মুসলিম ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দিন রাজত্ব করা রাজবংশ।উসমান খলিফা ওসমানের মতাদর্শকে নিজের মধ্যে ধারণ করেছিলেন এবং খলিফা ওসমানের মতো সম্পদ এবং শক্তির চেয়েও ন্যায় বিচারকে উপরে স্থান দিয়েছিলেন।প্রতিবেশীদের রাজ্যগুলো দখল করে নিজের রাজ্যের সীমানা বাড়ানোর প্রতি উসমানের কোন তাড়াহুড়া ছিলনা। ধীরস্থির চরিত্রের উসমান পরিকল্পনা মাফিক অপেক্ষা করছিলেন সুযোগের। তার মতবাদ ছিল বেঁচে থাকা এবং শেখা আর এভাবেই বাইজেন্টাইন ভূখন্ডে কাজ করা। সেই সময় বাইজেন্টাইনরা তিনটি শহরে শাসণ করতো। দক্ষিণে ছিল বুরসা, মাঝখানে ছিল নিকাইয়া এবং উত্তরে ছিল নিকোমেডিয়া। তিনটি স্থান উসমানের রাজধানী থেকে মাত্র একদিনের পথ দূরত্বে ছিল কিন্তু উসমান প্রথমেই আক্রমণ করেননি। কিন্তু তিনি জানতেন কনস্টান্টিনোপলের কাছে এ অঞ্চলের দূর্গ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। সে কারণে নিজস্ব কিছু দূর্বলতা এবং আক্রমণের জন্য যথাযথ সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। ইতিমধ্যে তার নিজের বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি পায়। এক সময় আর্তুরুলের ৪০০ যোদ্ধা বেড়ে দাঁড়ায় ৪০০০ যোদ্ধার এক বিশাল বাহিনীতে কিন্তু উসমানের সামনে যোদ্ধা সংগ্রহের আরও সুযোগ ছিল।সাত বছর পর যখন তিনি নিজেকে যথেষ্ঠ শক্তিশালী ভাবছিলেন তখন তিনি নিকোমিয়ার পিছনে সার্কাযা নদীতে আক্রমণ করেন এবং বিজয়ী হিসেবে প্রথমবারের মতো বসফরাসে প্রবেশ করেন। ধীরে ধীরে এর পূর্বে কৃষ্ণসাগরের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর ও দূর্গ দখল করে নিতে থাকেন এবং বুরসা ও নিকোমিডিয়ার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্থ করে দেন। সমুদ্রপথে এই দুই শহরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে তিনি স্থলপথে বুরসাতে আক্রমণ করেন এবং ১৩২৬ সালে সেটি নিজের অধিকারে নেন এবং উসমান মৃত্যুবরণ করেন। অধিকৃত বুরসায় অটোমানদের প্রথম রাজধানী স্থাপন করা হয় এবং উসমানের ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে বুরসাতে সমাহিত করা হয়।

রেফারেন্সঃ ওয়েব আর্টিকেল,নিউজ প্যাপার,উইকি,এবং অন্যান্য বই সমূহ🥀

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব