1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  5. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

নওগাঁয় বন্যা পরিস্থিতির অবনিত, পানিবন্দি ৬০ হাজার মানুষ।দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ মোঃ রাজিব হোসেন
*অনলাইন ডেক্স*

নওগাঁ জেলার আত্রাই এবং মান্দা উপজেলা বন্যা পরিস্থিতির কারণে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। নওগাঁর সব নদীর পানি বৃদ্ধি হয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার বন্যা পরিস্থিতির এই ভয়াবহ অবনিত। এই দুই উপজেলায় পানিবন্দি রয়েছে কমপক্ষে ৬০ হাজার মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ উজ্জামান খান জানান, বিশেষ করে প্রধান দু’টি নদী আত্রাই ও যমুনা নদীর পানি এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নওগাঁ জেলার আত্রাই নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মহাদেবপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার, ধামইরহাট উপজেলার শিমুলতলি পয়েন্টে ২৭ সেনিটমিটার, মান্দা উপজেলার জোতবাজার পয়েন্টে ৬২ সেন্টিমিটার এবং আত্রাই উপজেলায় আত্রাই রেলওয়ে স্টেশন পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৩ ঘন্টায় মহাদেবপুর পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার, শিমুলতলি পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার, আত্রাই রেলওয়ে শ্টেশন পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

নওগাঁ’র ছোট যমুনা নদীর পানি নওগাঁ শহরের লিটন সেতু পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৬টায় এই নদীর পানি বিপদসীমার ৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হ্চ্ছিল।
আত্রাই নদীর পূর্বের ভাঙ্গন দিয়ে জনপদে পানি প্রবেশ করায় আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর হাটকালুপাড়া, শাহাগোলা আহসানগঞ্জ, বিশা, ভোঁ-পাড়া ও পাঁচুপুর ও এই ৭টি উনিয়ন এবং মান্দা উপজেলার বিষ্ণপুর কসব, ও নুরুল্যাবাদ ইউনিয়ন সম্পূর্নভাবে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় মাঠের সকল আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অধিকাংশ পুকুরের মাছ ভেসে গেছে অন্য স্থানে। প্রচুর সংখ্যক মাটির বাড়িঘর ভেঙ্গে গেছে।

আত্রাইয়ের হাটকালুপাড়া ও কালিকাপুর ইউনিয়নের বাড়িঘর কোথাও হাঁটু পটানি আবার কোথাও কোমর পানির নিচে। পাকাবাড়ির বাসিন্দারা বাড়ির জিনিসপত্র বিভিন্নভাবে উঁচু করে তার উপর রেখে কোনরকমে বসবাস করছেন। এসব এলাকায় কোথাও কোন উঁচু জায়গা নেই। অধিকাংশ পরিবারের রান্না করার ব্যবস্থা নেই। তাদের গৃহপালিত পশু, হাঁস মুরগী নিয়ে দুর্বিসহ জীবনযাপন করছেন। কেউ কেউ দুরে কোথাও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও অধিকাংশ পরিবারের লোকজন পানির মধ্যে বাড়িতেই রয়ে গেছেন। এসব এলাকার বয়স্ক ব্যক্তিরা বলেছেন বিগত ৪০/৫০ বছরে তাঁরা এমন বন্যা দেখেন নি।

হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শুকুর আলী বন্যার ভয়াবহতার রুপ বর্ননা দিয়ে সরকারের প্রতি এই এলাকাকে উপদ্রুত বিমেশ এলাকা হিসেবে ঘোষনার দাবী জানিয়েছেন।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল হালিম বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ উল্লেখ করে বলেছেন এখন পর্যন্ত সঠিক হিসাব না করা গেলেও এই ৩ ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার পরিবারের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তাদের সরকারী সহযোগিতা প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে ইতিমধ্যেই ত্রান সহযোগিতা বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছানাউল ইসলাম জানিয়েছেন তাঁর উপজেলার ৮টির মধ্যে ৭ উপজেলাই বন্যা কবলিত হয়েছে। তবে হাটকালুপাড়া, কালিকাপুর ও আহসানগঞ্জ ইউনিয়নের পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ।
এই উপজেলার প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সম্পূর্ণভাবে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

ইতিমধ্যে প্রশ্সানের ব্যবস্থাপনায় হাটকালুপাড়া ও কালিকাপুর রইউনিয়নে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবারের মধ্যে চাল ডাল তেল চিড়া মুড়ি বিস্কুটসহ নানা শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব