1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  5. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
১৪২ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন বিলীনের পথে | দৈনিক বাংলার কথা। - Banglar Kota
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

১৪২ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন বিলীনের পথে | দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জীব্রান মাছুম দিদার

আর কয়েক ফুট ভাঙলেই নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে শাল্লার প্রত্যন্ত জনপদের একটি স্বপ্নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত শাল্লার নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখেন অপেক্ষাকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের গ্রাম নোয়াপাড়াবাসী। কয়েকফুট ভাঙলেই, অর্থাৎ আগামীকালই স্কুলটি থাকবে কী-না, এই নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে এলাকাবাসীর। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ নিয়েও মানুষের সমালোচনা রয়েছে।
কুশিয়ারার অব্যাহত ভাঙনে তিন বছরে বিলীন হয়ে গেছে শত বছরের পুরোনো নোয়াপাড়া গ্রাম। একই সঙ্গে হুমকিতে আছে গ্রামের শেষ চিহ্ন ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি জানিয়ে এলেও ভাঙন রোধে ঠেকসই কোন কাজ হচ্ছে না।
শাল্লা উপজেলার দক্ষিণ দিকে এবং কুশিয়ারা নদীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত প্রতাপপুর বাজার। বাজারের পূর্ব দিকে ছিল নোয়পাড়া গ্রাম এবং গ্রামের পূর্ব দিকের শেষ ভাগে অবস্থিত নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ও কুশিয়ারা নদীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত।
সরেজমিনে দেখা গেছে গ্রামের পশ্চিম পাশে ভাঙন শুরু হয়ে, ইতিমধ্যে নোয়াপাড়া গ্রামের দুই’শ বসতবাড়ি কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গ্রামের পূর্ব দিকে অবস্থিত নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষ চিহৃ হিসাবে গ্রামের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিল। সেটিও বিলীন হবার পথে। ৩-৪ ফুট ভাঙলেই বিদ্যালয়ের ১৪২ শিক্ষার্থী ও ৫ শিক্ষকের স্বপ্ন ভেঙে নদীতে যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বললেন, নদীর পানি কমা শুরু হতেই ভাঙনও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এখনই যদি ভবন রক্ষায় ব্যবস্থা না হয়, তাহলে আগামী ১ সাপ্তাহের মধ্যে বিদ্যালয়
ভবনটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে গমন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
বাজারও বিলীন হওয়ার উপক্রম। প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও নদীতে বিলীন হবার পথে।

নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঋষিকেশ তালুকদার বলেন, বিদ্যালয়টি যেকোন মুহুর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। আগামী দিনগুলিতে কোথায় শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনা হবে, তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ জানান, গত বুধবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার সরজমিনে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন। করোনার জন্য এখন পাঠদান বন্ধ, পাঠদান শুরু হলে কোথায় কীভাবে পাঠদান করা হবে সেটি নির্ধারণ করতে হবে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টি রক্ষার্থে ভাঙনস্থলে একজন উপসহকারী প্রকৌশলীকে পাঠানো হয়েছে। ভাঙন রোধকল্পে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ভাঙন রোধ না হওয়া পর্যন্ত কাজ অব্যাহত থাকবে। নদীর পাড়ে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। এলাকার জনপ্রতিনিধি সচেতন গ্রামবাসীকে অনুরোধ করবো ঠিকাদারের কাছ থেকে শতভাগ কাজ আদায় করতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব