1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  5. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
গল্পঃবেলা শেষে জান্নাতুন ফেরদৌস পর্বংঃ দ্বিতীয়। দৈনিক বাংলার কথা। - Banglar Kota
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

গল্পঃবেলা শেষে জান্নাতুন ফেরদৌস পর্বংঃ দ্বিতীয়। দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

বেলা শেষে
জান্নাতুন ফেরদৌস
পর্বংঃ দ্বিতীয় 
উদ্দেশ্যহীন পথের খোঁজে ছুটে যাচ্ছে দুটি পাখি।এরা যেনো আকাশে উড়ে যেতে চায় পারলে অজানা ঠিকানায় একসাথে উড়ে যাবে,মিশে যাবে ঐ নীল আকাশের গহীনে,অজানায় আড়ালে।তবে কোনো উপায় নেই,ডানা নেই আর না হতে পেরেছে দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত।

প্রায় ঘন্টা তিনেক ঘুরাঘুরি করে রহির কথায় ঘরে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হলো ওরা।রহির যখন ই মন খারাপ হয় তখনই রথির সাথে ঘুরতে যায়।একমাত্র রথির পাগলামি পারে ওর মন ভালো করতে।তবে আজ কেনো জানি ওর মন ভালো হলো না।ঘরে ফিরে কারো সাথে কোনো কথা বললো না। আজ বড্ড ইচ্ছে হলো আবার সেই স্মৃতিময় দিনগুলোতে ফিরে যেতে তাই সে পুরোনো ডাইরিটা বের করলো।অনেকদিন ছুঁয়ে দেখা হয় না এটি।উপরে ধুলো জমে গেছে।বাহিরের ময়লা আবর্জনা মানুষ চাইলেই পরিস্কার করতে পারে তবে মানুষের মনের ভেতরের ময়লা কখনো ধুয়ে পরিস্কার করা যায় না।
ডাইরি খুলতেই প্রথম পাতায় লেখা প্রিয় লাইনে চোখ আটকে গেলো।
“আমি তোমার আমিকে চাই রং তুলিতে এঁকে দিবো,
আমি তোমার আমিকে চাই কাগজে কলমে লিখে নিবো।
আমি চাই তুমি আমাতে জাড়িয়ে যাও,হারিয়ে যাও,তলিয়ে যাও গভীরে,
আমি খুঁজে নিবো।
আমি তোমাকে বাঁধতে,আটকে রাখতে চাই কঠিন বাঁধনে।
তবে খুঁজে দেখ,পরম মুক্তি আছে এতে।
যতবার ফিরিয়ে দিবে তার চেয়ে বেশি ফিরতে হবে
স্তব্ধ হলেও শুনতে হবে,ইচ্ছে না থাকলেও মানতে হবে।
বহু বার নয় কোটি বার নয় আরও বারবার বলবো,“ভালোবাসি।”
দু-চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে।মাথা কি একটা যেনো অদ্ভুত যন্ত্রণায় ভারী হয়ে আসছে।বুকের ভেতর প্রবল জোরে ঝড় বয়ে যাচ্ছে তবুও উদাস মনটা বার বার চাইছে পরের পাতাগুলো একটি একটি করে খুঁটিয়ে দেখতে।কারণ এখানেই যে আছে তার ভালোবাসার শেষটুকু।
নাহ!
আর কোনোভাবেই পারছে না।আর ও একটি বেদনাদায়ক রাত পার করতে হবে তাকে।এভাবে কতদিন ধরে পারবে সে? একদিন না একদিন তাকে সব কিছু থেকে বেরুতেই হবে।এসব ভাবতেই মনের অজান্তে একটি খুব প্রিয় নাম্বার সে ডায়াল করলো।যদিও বহুদিন সে নাম্বার ফোনের পর্দা থেকে মুছে গেছে তবুও রয়ে গেছে মনের গহীন থেকে গহীনে।
মানুষ অদ্ভুত এক প্রাণী।অনেক সময় ইচ্ছে করেই অনেক কিছু ভুলে থাকতে পারে,নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারে,গুটিয়ে রাখতে পারে।আবার অবচেতনে সে সব অপ্রকাশিত সত্য সবার সামনে প্রকাশ ও করে দিতে জানে।
ফোনের ওপার থেকে খুব মিষ্টি সুরে ভেসে এলো,“সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব নয়।”তবে কি সে আর এই নাম্বার ব্যাবহার করে না।সে কি নতুন সিম কিনেছে?
নাহ!
এটা তো তার অনেক পুরনো সিম।সে তো বলেছিলো তার প্রিয়জন,পরিবার ও পরিচিত সবাই এই নাম্বার জানে তাই এটা আর পরিবর্তন করতে পারবে না।
তবে কি সে নতুন করে তার জীবন সাজিয়েছে নতুন সবকিছু নিয়ে।সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে আবার চেষ্টা করলো।
এবার আর হতাশ হলো না।রিং হলো তবে কেউ রিসিভ করলো না।আর চেষ্টা করলো না।
গোটা একটা দিন কেটে গেলো কোনো উত্তর পেলো না রহি।পরদিন বিকেলে রহি ঘুমাচ্ছিলো এই সময় ফোনের একটা এস এম এস এর শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো।অন্যদিন অবশ্য ঘুমালে সাইলেন্ট করে ঘুমায় তবে আজ কেনো যে মনে ছিলো না তা কে জানে।
ফোনের স্কিনে চোখ পড়তেই অন্যরকম একটা অনুভূতি হলো তার।এ এক অন্যরকম অনুভূতি এতটা আনন্দিত শেষ কবে হয়েছিলো তা সে জানে না।সেই নাম্বার থেকে মেসেজ এসেছে,
“কে আপনি?”
কি বলবে বুঝতে পারছে না সে।অনেক্ক্ষণ ভেবেও ঠিকঠাক উত্তর খুঁজে পেলো না।তারপর অবশ্য পেয়েছে,
“অপরিচিতা।আপনি দীপ তো?”
“হুম।”
চোখদুটো কেমন যেনো হয়ে যাচ্ছে।মাথা ঘুরছে খুব। এখন কি বলবে,কেনো বলবে আর কেন ই বা সেদিন কিছু না ভেবে ফোন দিয়ে বসলো ভেবে পাচ্ছে না।যেহেতু সেদিন কিছু বলা হয়নি আজ কেনো বলতে পারছেনা সে।আবার ও কিছুক্ষণ পরে ফোনের ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো।
“আপনি কি আমাকে চিনেন?”
এবার আরো বেশি গোলমেলে লাগছে।কি বলবে সে?সত্যি কি চিনে?তাকে কি আদৌও চেনা হয়ছিলো নাকি অচেনাই রয়ে গেছে।
উত্তর দিলো না।আজ শরীর মন জুড়ে যেনো অদ্ভুত শিহরণ হচ্ছে তার।মনে হয় কি এক নতুন দীগন্ত আবার তার জীবনে সূচিত হলো।গত চার বছরের একটা মূহুর্তে ও তার এতটা ভালো লাগেনি।কেনো তার এত ভালোলাগা,কারণ খুঁজে পেলো না সে।আর কিছু ভাবলো না।এরপর বেশ কিছুদিন কেটে গেলো।আর কথা হলো না।
(চলবে……)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব