1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  5. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
#বেলা_শেষে #জান্নাতুন পর্বঃ০১।দৈনিক বাংলার কথা। - Banglar Kota
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

#বেলা_শেষে #জান্নাতুন পর্বঃ০১।দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

#বেলা_শেষে
#জান্নাতুন
পর্বঃ০১

চারিদিকে অন্ধকার।ঘনকালো মেঘে আচ্ছন্ন হয়ে আছে সুদীর্ঘ,সুনীল বিশাল আকাশ।প্রকৃতির কি এক অদ্ভুত রূপ।এমন সুন্দর হাসিমাখা মুগ্ধকর প্রকৃতি যেনো তার বুকে কতশত অজানা যন্ত্রণাকে ধারণ করে আছে।সে আর বইতে পারছে না তাই এক্ষুণি বুঝি বৃষ্টি নামিয়ে হালকা হতে চায়।

এমন এক কালবৈশাখী ঝড়ের দিনে জানালার গ্রিল ধরে দাড়িয়ে আছে রহি।কি যেনো এক অদ্ভুত কথা বলছে সে আকাশের দিকে চেয়ে।আকাশের ঐ গর্জনের সাথে তার বুকের উথাল-পাতাল কোথায় যেনো মিলে যায় তাই সে এই সময়টাকে বড্ড বেশি উপভোগ করে।পার্থক্য এই যে বৃষ্টির পরে প্রকৃতি স্নিগ্ধ আর শান্ত হয়ে যায় সে আবার তার আগের রূপে ফিরে আসে অন্যদিকে রহির বুকের ভেতর প্রচন্ড গর্জন হয়,দু-চোখে অঝোরে বর্ষণ হয় তবুও সে কখনো শান্ত হতে পারে না।বেদনাহীন হয়ে নিজের মুগ্ধতা কোথাও ছড়িয়ে দিতে পারে না।

“কি রে তুই এভাবে সবসময় আকাশের দিকে কি দেখিস?”
মায়ের ডাকে হুঁশ ফিরলো রহির।এতক্ষণ পরে ভাবনার ঘোর কাটিয়ে স্বাভাবিক হলো।
“একমাত্র আকাশটা ই যে আমাকে ভালো রাখতে পারে মা।”
“তুই যে কেনো এখনো অবুঝ তা বুঝি না রে।”
“মা আমি আর ও একটু সময় একা থাকতে চাই।”
“বাইরের যে অবস্থা তাতে এক্ষুনি ঝড় বৃষ্টি হবে তুই অন্তত জানালা লাগিয়ে দিয়ে এদিকে আয়।”
কেউ আর কোনো কথা বাড়ালো না।রহি জানালা দিতে গিয়েও দিচ্ছে না।মন মানছে না।চুপচাপ এসে বিছানায় গা এলিয়ে দিলো।নাহ!কিছু ভাবতে পারছে না সে চোখদুটি ভিজে যাচ্ছে।স্মৃতিরা কেনো এত গোলমেলে যখন তখন ইচ্ছেমতো কেনো মনের কোণে চলে আসে সেই প্রশ্নের উত্তর সে হাজারবার খুঁজে ও পাইনি।শত ভাবনার মাঝেই কখন যে ঘুমিয়ে গেলো কে জানে।

ছবিঃসংগ্রহ

সবেমাত্র গ্রাজুয়েশন শেষ করা একটা মেয়ে।হালকা ফর্শা গায়ের রং।চোখদুটি অপূর্ব সুন্দর।দেখলে মনে হয় ঐ চোখে তাকিয়ে হাজার জনম থাকা যায়।খুব যে বেশি সুন্দরী তা নয় তবে মানুষ হিসেবে বেশ ভালো।
সোনাডাঙা মডেল থানার সামনে দাড়িয়ে রথির জন্য অপেক্ষা করছে।বেশ অনেক দিন ঘুরাঘুরি হয়না তাই আজ প্রাণঘুলে ঘুরবে।রথি রহির ছোটবেলার বন্ধু।ছেলেবেলা থেকে একসাথে বেড়ে উঠা।রথি দেখতে বেশ সুন্দরী।তবে ছেলেমানুষ।একদিকে রহি যেমন গম্ভীর অন্যদিকে রথি তেমন সাদাসিধা।রথি রহি অন্তঃপ্রাণ।ওর স্বামী আছে সংসার আছে তবুও রহির ডাক অস্বীকার করার শক্তি তার নেই।
প্রায় ১৫মিনিট পরে দেখা মিললো রথির।
“এত দেরি হলো ক্যান?”
“একটু কাজ ছিলো রে।আচ্ছা তুই তো বললি না কোথায় যাবি।”
“যেদিকে দু-চোখ যায়,।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

One thought on "#বেলা_শেষে #জান্নাতুন পর্বঃ০১।দৈনিক বাংলার কথা।"

  1. দেলোয়ারখান says:

    দাদু
    দিলোয়ার খান

    মসজিদের ঐ দখিন পাশে চেঙ্গের খালের কূলে
    কত প্রিয়জন নিরলে ঘুমায় সুপারি বাগের মূলে।
    ঘুমিয়ে আছেন দাদাজান মোর মাটির অাধার ঘরে
    এসেছিনু রেখে আপন হাতে শোওয়ায়ে আদর করে।
    সাদা কাপনের প্যকেটে মোড়ায়ে মরণ গাড়িতে চড়ে
    হেমন্তের ঐ শুষ্ক দুপুরে শেষ জানাজা পড়ে।
    দাদার হাতের তালুতে চড়ে সাঁতরেছিলাম ঘাটে
    ভোর বিহানে পড়তে যেতাম নাদিয়া কায়দা পাঠে।
    পাঠশালাতে গামছা হাতে লাটিতে ভর দিয়ে
    বিদ্যালয়ে পড়ছি কি না খবর নিতেন গিয়ে।
    রোজ ফজরে মধুর সুরে আজান দিতেন তিনি
    কত শহরে তাবলিগ করে দাওয়াত দিতেন দ্বীনি।
    চেঙ্গের খালে ঝাকি জালে মাছ ধরতেন রোজ
    যেমন তেমন খাবার হলে জমতনা তাঁর ভোজ।
    হাটে গিয়া মোরে নিয়া কিনে দিতেন লুঙ্গি
    কাঁদে হিয়া দাদুরে নিয়া বেদনা মোর সঙ্গি।
    দশ বছরের পুরনো কবর ফল ধরেছে গাছে
    দাদুর স্মৃতি বহিয়া বেড়াবো জীবন যতদিন আছে।
    দোয়া মাঙ্গি খোদা দয়াময় প্রভু আমার দাদুর তরে
    বেহেশত নসিব হয় যেন তাঁর আধার কবর ঘরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব