1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  5. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

নওগাঁয় ২৪ ঘন্টায় আরও ৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস।দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ মোঃ রাজিব হোসেন
*অনলাইন ডেক্স*

 

গত ২৪ ঘণ্টায় নওগাঁয় আরও ৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। নওগাঁয় এ নিয়ে রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২ জন। রোববার সকালে নওগাঁর সিভিল সার্জন আকন্দ মেঃআখতারুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি অ্যান্ড মেডিসিন রিসার্চ সেন্টার ল্যাবে নওগাঁ থেকে পাঠানো ৫৮টি নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন গতকাল শনিবার রাতে পৌঁছায়। এর মধ্যে ৯ জনের প্রতিবেদনে করোনা পজিটিভ এসেছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে নওগাঁ সদর উপজেলায় একজন চিকিৎসকসহ ৬ জন এবং মহাদেবপুর উপজেলায় ৩ জন আছেন।

নওগাঁর রানীনগরে গত ২৩ এপ্রিল প্রথম একজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। নওগাঁ থেকে পাঠানো ৮ হাজার ৭৬টি নমুনা পরীক্ষায় ১ হাজার দুজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন কোভিড–১৯ শনাক্ত ৮৪৫ জন। সুস্থতার হার প্রায় ৮৫ শতাংশ। মারা গেছেন ১৪ জন।

বর্তমানে নওগাঁয় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন জেলার বিভিন্ন হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাড়িতে থেকেই বাকিরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এদিকে নওগাঁয় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ কমে অর্ধেকের নিচে নেমেছে। জেলাতে গত জুলাই মাসে ৩১ দিনে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ২ হাজার ৭৫০ জনের। অর্থাৎ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে প্রতিদিন গড়ে ৮৮ জনের। কিন্তু চলতি মাসে গতকাল শনিবার পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৫৮ জনের। অর্থাৎ গড়ে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে প্রতিদিন ৩২ জনের।

জেলা কোভিড-১৯ প্রতিরোধ কমিটির সদস্যসচিব ও সিভিল সার্জন আকন্দ মো. আখতারুজ্জামান বলেন, বেশ কিছু কারণে নমুনা সংগ্রহ কমেছে। আগে সংক্রমণের ১৪ দিন পর ফলোআপ নমুনা সংগ্রহ করা হতো, এখন সেটি নেওয়া হচ্ছে না। ফি নির্ধারণের কারণেও নমুনা সংগ্রহ কমেছে। এ ছাড়া ধারণা করা হচ্ছে, সচেতনতার অভাবে উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিচ্ছেন না। এতে একপ্রকার তথ্য গোপন থাকছে, যা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব