1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
উপন্যাসঃ অদ্রিতি লেখকঃ আবরার ফাহিম খান। পর্বঃ দ্বিতীয় এবং তৃতীয়।দৈনিক বাংলার কথা। - Banglar Kota
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

উপন্যাসঃ অদ্রিতি লেখকঃ আবরার ফাহিম খান। পর্বঃ দ্বিতীয় এবং তৃতীয়।দৈনিক বাংলার কথা।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ৮৩৩ বার পড়া হয়েছে

….. আমি কিছু না বলে হাঁটা শুরু করলাম।আম্মু পেছন থেকে ডেকেই যাচ্ছে তাতে আমার কোনো ভ্রুক্ষেপ করছি না,হেটেই যাচ্ছি।স্টেশন বাড়ির পাশে থাকায় দেরি হল না হেটেই এসে পড়লাম।স্টেশন পৌঁছাতেই পিছন থেকে কে যেন ধপাস করে পিঠে চড় মারল তাকিয়ে দেখলাম আম্মু, বকাবকি শুরু। যাইহোক ট্রেনে উঠে পড়লাম।আধ ঘণ্টা পড় ছাড়বে।এর মধ্যেই খালামনির ফোন,বিরক্ত হয়ে ধরলাম।

-কে আরিফিন কোথায় তোরা??
-এইতো ট্রেনে উঠলাম।একটু পরই ছাড়বে।
-কিন্তু তোরা ট্রেনে কেন আমি তো গাড়ী পাঠিয়েছি।তাড়াতাড়ি নাম আর অদ্রিতিকে ফোন কর আর বল কোনো স্টশনে।
-আচ্ছা বলছি।

কথাটা শুনেই মনে এক আনন্দময় বাতাস বয়ে গেল।অদ্রিতি তাহলে আসছে আমাদের নিতে মনে মনে হু হু করে উঠলাম।কিন্তু হঠাৎ মলিন হয়ে গেল মুখ,ভার হয়ে গেল হৃদয়টা।
আম্মু গা ঝাড়া দিয়ে বলল
-কে ফোন করেছে???
-খালামনি!!
–কি বলল তোর খালামনি।
–বলল অদ্রিতি গাড়ি নিয়ে এসেছে।
-তুই কি বললি??
-আমি কিছু বলি নি খালামনিকে।বরং ওনি বলল আমরা যেন গাড়িতেই আসি।
-আচ্ছা ফোন দে ওকে??
-কাকে??
-কাকে আবার অদ্রিতিকে।
-আচ্ছা করছি,আগে নামো।

সামিরাকে নিয়ে নেমে পড়লাম। নেমেই ফোন দিলাম ওকে।রিং হতেই সাথে সাথে ধরে ফেলল।যেন এইরকম কিছুর জন্যেই ও অপেক্ষা করছিল!!!ফোন ধরেই শুরু…….

-কিরে তোরে কতবার কল দিয়েছি ধরিস না কেন??
-ব্যস্ত ছিলাম তাই।কথা না বাড়িয়ে বলেন কোথায় আপনি??
-আমি তো তোদের বাড়ির সামনে। কতবার যে ফোন দিয়েছি খালি ব্যস্ত ব্যস্ত বলে,না পেরে বিরক্ত হয়ে উপড়ে উঠলাম উঠে দেখি তালা লাগানো।

আসলে ওর নাম্বারটা আমি রাগে ব্লাকলিস্টে রেখেছি কাল রাতেই।(মনে মনে ভাবলাম)
হঠাৎ ও পাশ থেকে একটা বিকট শদ্বের আওয়াজ শুনতে পেলাম।বুঝলাম চিৎকারটা ওর,

-কিরে বোবা হলি কবে থেকে??
-না মানে।
-কি মানে মানে করছিস??
-না কিছু না,আর আমরা কি জানি আপনি আসবেন??
-বেশি কথা না বলে লোকেশন বল??
-আপনার কষ্ট করে আসা লাগবে না আমরা আসছি।
-ওই গাড়িতে আসব তাতে আবার কষ্ট কিসের??

আমি লোকেশন বলে দিলাম তা না হলে যে কি হত বলতেই কলিজা কেঁপে উঠে ।একবার ছোটবেলায় আমি আর ও গিয়েছিলাম শাপলা ফুল তুলতে।কিন্তু সব ফুল ও নিয়ে নিল আমাকে একটাও দিল না তাই রাগে ওর ফুল ছিঁড়ে ফেলেছি কি আর রক্ষা হল না।ও আমাকে তুলে পানিতে গরুর মতো চুবালো সেই থেকে ওকে কোন কাজে বাঁধা দিতে কলিজাটা সাই দেয় না।যাক ওসব।
ও এসেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগিয়ে দিল।

-ওই হারামখোর তোকে কতবার ফোন করেছি??
-কোথায় তুই তো একটা ফোনও করিছ নি।আমি সেই থেকে ওর সাথেই আছি আর ফোনটা ভাইভারেশনও করা নেই।
-আচ্ছা মা এসব বলে কি সময় নষ্ট করবা??

কথা ঘুরিয়ে ফেললাম।কিন্তু দাজ্জালনী কেমন আড় চোখে তাকিয়ে আছে,মনে হয় কিছু আচঁ করেছে,ভয়ে গলা শুখানোর উপক্রম।

-গাড়িতে উঠ তাড়াতাড়ি বেশি কথা না বলে।

যাক এতক্ষণে স্বস্তির র্নিঃশ্বাস ফেললাম।
গাড়িতে উঠে পড়লাম,ও ড্রাইভিং করছে।গাড়ি চলছে তার আপন বেগে।
আমার চোখ ওর দিকে পড়তেই স্থির হয়ে গেল। অদ্রিতিকে আজ অসম্ভব সুন্দরী লাগছে।এতক্ষণ আমি খেয়ালই করি নি ওর দিকে!!ওর সৌন্দর্য দেখে চোখ ধাধিয়ে গেল।ওকে সচরাচর শাড়ি পড়তে দেখা যাই না। কিন্তু আজ একটা গর্জিয়াছ নীল রং এর শাড়ি পড়েছে।কারুকার্জ করা শাড়ির পাড়,কানে হালকা মাঝারি টাইপের দুল,ওর খুলে রাখা উড়ন্ত কেন্দল, আর প্রকৃতির এই মেঘলা রূপ সবকিছুর কম্বিনেশনে ওকে হেব্বি লাগছে।অব্যশই ও দেখতে ততটা ফর্সা না হলে ও, এই নীল শাড়িতে ওকে না জাস্ট……লাগছিল । ওর বিশেষ আর্কষণ ওর মায়াবী চোখ, যতবার ওর চোখে তাকাচ্ছি ততবার ওর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি।বিশেষ করে ওর চোখের উপর টানা কাজলটা হৃদয়ে বারবার দাগ কাটছে। আমি জাস্ট ওর দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়েই আছি।হঠাৎ আচমকা একটা ধাক্কা খেয়ে ঘোর থেকে বাস্তবে পর্দাপণ করলাম।দেখলাম……..

চলবে কি??

সংবাদটি শেয়ার করুন

One thought on "উপন্যাসঃ অদ্রিতি লেখকঃ আবরার ফাহিম খান। পর্বঃ দ্বিতীয় এবং তৃতীয়।দৈনিক বাংলার কথা।"

  1. shathi says:

    nc💑💑

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব