1. admin@banglarkota.com : admin :
  2. jakariaborkoth@gmail.com : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত : মোঃ তারেক হোসেন জাকারিয়া বরকত
  3. adnanfahim069@gmail.com : মোঃ আবরার ফাহিম : মোঃ আবরার ফাহিম
  4. mdmamunhossen1222@gmail.com : মোঃ মামুন হোসেন : মোঃ মামুন হোসেন
  5. miraz55577@gmail.com : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি : মোঃ মিরাজ সাহিত্য প্রতিনিধি
  6. nahidadnan124@gmail.com : নাহিদ হোসেন নিরব : নাহিদ হোসেন নিরব
  7. ridoyahmed.news@gmail.com : মোঃ হৃদয় আহমেদ : মোঃ হৃদয় আহমেদ
  8. irsajib098@gmail.com : মোঃ সজীব হোসেন : মোঃ সজীব হোসেন
উপন্যাসঃ অদ্রিতি পর্বঃপ্রথম লেখকঃ আবরার ফাহিম খান। - Banglar Kota
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
আপনি কি গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস লেখেন? কিন্তু প্রকাশের কোন মাধ্যম পাচ্ছেন না? কিছু সহজ শর্ত সাপেক্ষে সাগরিকা প্রকাশনী প্রকাশ করবে আপনার স্বপ্নের গ্রন্থটি। যোগাযোগঃ ০১৭৩১৫৬৪১৬৪

উপন্যাসঃ অদ্রিতি পর্বঃপ্রথম লেখকঃ আবরার ফাহিম খান।

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ৮৮৯ বার পড়া হয়েছে

 

“””কথাটা শুনে অদ্ভুত এক বেদনায় বসে পড়লাম সোফায়।হৃদয়টা মেঘাচ্ছন্ন হয়ে গেল মূহূর্তের মধ্যে।হৃদপিন্ডের ধুফধুফানীটা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েই যাচ্ছে।মনে হচ্ছে বুকের পাজরটা চিড়ে হৃদয়টা উপড়ে ফেলে দেই।হঠাৎ না চাইতেই চোখের কোটর থেকে নোনতা সমুদ্যের জল বেরিয়ে গাল ভিজিয়ে দিল।এই জল হয়তো কখনো শেষ হওয়ার নয়।চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করছে,কিন্তু পারছি না|ওর সাথে এতগুলো আনন্দময় দিন,এতগুলো আনন্দঘন মূহূর্ত কেটেছে ক্ষণে ক্ষণে শুধু মনে হয়েছে….
কিন্তু এসব কিছু কি মরীচিকা ছিল।এত জঘণ্যতম একটা খেলা বিধাতা আমার সাথে কেন খেলল!যখন সবকিছু হারিয়েছিলাম সেটাই ভালো ছিল!কিন্তু আজ যখন সব পেয়েও পেলাম না,তখন আমার মরে যেতে খুব ইচ্ছে হল।কিন্তু অসহায় মা আর ছোট্ট বোনের দিকে তাকিয়ে তা পারলাম না।কখনো বলতে পারি নি অদ্রিতিকে|কিন্তু আজ বলতে ইচ্ছে করছে চিৎকার করে “অদ্রিতি খুব ভালোবাসি তোমায়”।হঠাৎ অন্ধকার রুমটা আলোকিত হয়ে গেল দেখলাম ছোট্ট বোনটা লাইট অন করে বলছে,
–কি করছ ভাইয়া”

ওর মুখের ওই ডাকটা শুনেই আমার বুকের কষ্ট একটু নিবারন হল|বড্ড ভালোবাসি বোনটাকে।ওকে দেখা মাত্রই অসামালভাবে নিজের হ্রদয় ক্ষরণ ডাকার ব্যর্থ চেষ্টা করি।কিন্তু ও বুঝে ফেলল বলল
-কাঁদছ কেন ভাইয়া??
-কোথায় আপু কে কাঁদছে আমার চোখে কি জেন পড়েছে তাই চোখ ডলতে ডলতে লাল হয়ে গিয়েছ।
হঠাৎ করে আম্মু চলে আসল আর কোনো কথা বললাম না এসেই বলে উঠল
-কিরে আরিফিন যাবি না অদ্রিতিদের বাসায়।
-যাব তো আম্মু
-তাহলে এত রাতে এখানে বসে কি করছিস খেয়াল আছে কয়টা বাজে। কাল ভোরে আবার ট্রেন আছে তুই কি কোনো দিন কিছু বুঝবি না।
আমি আর কথা না বাড়িয়ে রুমে চলে আসলাম।দরজার হুকটা লাগিয়েই দরজার সাথে বসে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলাম।হয়ত কেউ শুনছে না কিন্তু আজ ভেতরটা পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে গেছে। আমি আর ঘুমাতে পারলাম না।চোখ বুঝলেই ওর সাথে কাটানো সকল মূহূত চোখের পর্দা ভেদ করে বেড়িয়ে আসছে।জানি না কেন ও আমার জীবনে এল আর কেনই বা আমাকে ওর মায়ায় জড়াল।আমি চিৎকার করে বললাম “আমি কি দোস করেছিলাম বিধাতা এরকম জঘন্য খেলা তুমি আমার সাথে খেললে।”আমি তো ভালোই ছিলাম কেন তুমি ওকে আমার জীবনে আনলে।আবার কেনো তুমি ওকে কেড়ে নিচ্ছ।আমি পারলাম না নিজের অতীতকে ভুলে যেতে আমি পারলাম না।জানি দোসটা আমারই আমিই তো ওকে কোনো দিন যানাইনি আমি যে ওকে……..।বলতেই আমার শদ্ব করে কাঁদতে লাগলাম। সকাল যে কখন হলো জানতেই পারলাম না।আম্মু সকালে উঠে ডাকাডাকি শুরু করল দরজাই থাপরাচ্ছেআর বলচ্ছে
-কিরে সকাল তো কত আগে হয়ে গেছে।উঠ এবার,তোর খালামনি ১০ বার ফোন দিছে।
কাঁদতে কাঁদতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি খেশালই নেই।এবার রেডি হয়ে স্টেশনে উদ্দেশে বেড়িয়ে পড়লাম।জানি না মনে আজ সেই দিন গুলোর কাথা মনে পড়ছে,যেদিন আমাকে আর আমার গর্ভবতী মাকে ঝড়-বৃষ্টির রাতে ভিজা কাপড়ে ঘাড় ধরে বের করে দিয়েছিল।আমার মা সেদিন লাজ্ঞিত, অপমানিত হয়ে চলে এসে ছিল।হঠাৎ আমার সামনে আমার মতো দেখতে হিমুর মতো হ্যাংলা পাতলা হলুদ পান্জাবী পড়া একটা ছেলে দাড়িয়ে পড়ল। তাকে দেখেই রিতিমতো দাড়িয়ে পড়লাম ভয়ে হাত পা ঠান্ডা হতে লাগল।সে আমার মত দেখতে অবিকল।ছায়ামূর্তি টা কাছে এসে আমাকে বলল
-কোনো টেনশন করিস না। আমি তোরই ভিতরের অন্ত আত্মা।
ওর কথা শুনে আমি দীর্ঘশ্বাসফেললাম।কথা বলতে শুরু করলাম দুজনে।
আমি প্রশ্ন করলাম ”
-“আবার কেন আমি সেই জায়গায় ফিরে যাচ্ছি।যে জায়গায় আমার কোনো স্থান নেই??বলতে পারবে
-জানিস ভালোবাসা বলতে কিছু একটা আছে।যা অমানুষ কে মানুষ বানাতে পারে আর তুই তো মানুষ তোকে বদলাতে সে আর কত টাইম ওয়েস্ট করবে।তুই আর এমন কোন মহাপুরুষ নস যে এসব কিছু তোকে ছুতে পারবে না।
-আচ্ছা তুমি আমাকে বুঝাতে চাচ্ছ আমি মায়ায় পড়ে গেছি ওর তাই তো।
-একদম ঠিক ধরেছিস।তুই কি জানিস কত মহাপুরুষ ফেসে গেছে এই মায়া জালে।
এভাবে দাড়িয়ে বিড়বিড় করতে দেখে মা কাধে হাত দিয়ে বলল
-কি রে খোকা কি হয়েছে। এমন ভাবে দাড়িয়ে আছিস যে।আর কি এত বিড়বিড় করছিস।
এই কথার উত্তর আমার কাছে নেই। কেন জানি কাল রাত্রির পর থেকে উল্টা পাল্টা বকবক করছি।কেন জানি আমার বুক থেকে কষ্টা নিবারন হচ্ছে।আমি আর কিছু না ভেবে হাটতে থাকলাম।
….. চলবে…….

সংবাদটি শেয়ার করুন

3 thoughts on "উপন্যাসঃ অদ্রিতি পর্বঃপ্রথম লেখকঃ আবরার ফাহিম খান।"

  1. abrar says:

    💗💗💗

  2. abrar says:

    😍😍

  3. niloy says:

    😢😢

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সাগরিকা প্রকাশনী | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব